‘হিজাব পরা নারীই একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন’, চ্যালেঞ্জ ওয়েইসির

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২, ১:২০ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


হিজাব বিতর্কে নয়া মাত্রা যোগ করলেন AIMIM প্রধান আসাউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর কথায়, ভবিষ্যতে হিজাব পরিহিতা নারীই হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এহেন মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের হিজাব পরা উচিত নাকি অনুচিত, সেই বিতর্কের জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এর মাঝেই উত্তরপ্রদেশের ভোটপ্রচারে হিজাব বিতর্ক টেনে আনলেন ওয়েইসি। এই ইস্যুতে বিজেপিকে তুলোধোনার পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়ন নিয়েও মুখ খুললেন তিনি।

যোগীরাজ্যে সম্বল জেলায় ভোট প্রচারের সময় ওয়েইসি বলেন, “হিজাব পরিহিতা মেয়েরা চিকিৎসক হচ্ছেন, জেলাশাসক হচ্ছেন, মহকুমাশাসক হচ্ছেন। তাঁরা একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রীও হবে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তাঁর এই বক্তব্য। এদিকে এই ইস্যুতে কেন্দ্রকেও তুলোধোনা করেছেন তিনি। ওয়েইসির অভিযোগ, বিজেপি সরকার মুসলিম নারীদের হিজাব পরতে দেয় না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর খোঁচা, উনি নারীদের ক্ষমতায়নের কথা বলেন। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও-এর প্রচার করেন। তিন তালাক নিষিদ্ধ করেন। হিজাব পরা নিষিদ্ধ করে বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াওয়ের প্রচার করছেন উনি?”

প্রসঙ্গত, কর্ণাটকের হিজাব বিতর্ক সারা দেশেই মাথাচাড়া দিচ্ছে। অনেক দিন ধরেই এই বিতর্ক চলছিল। তা নতুন মাত্রা পায় কয়েক দিন আগে। সেরাজ্যের BJP সরকার জানিয়ে দেয়, যে সব পোশাক সমতা, অখণ্ডতা ও আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। তা পরা যাবে না। স্বাভাবিক ভাবেই এই নির্দেশ ঘিরে নতুন করে চড়তে থাকে বিতর্কের পারদ।

এই বিতর্ক বড় আকার নেয় উন্মত্ত হিন্দুত্ববাদী যুবকদের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির পালটা ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান তোলা কর্ণাটকের এক মুসলিম তরুণীর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরে। হিজাব ইস্যুতে একটি অন্তর্র্বতী রায় দেয় কর্ণাটক হাই কোর্ট।

আদালত জানিয়ে দেয়, যতদিন না হিজাব সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে, ততদিন হিজাব-সহ কোনও ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরা যাবে না স্কুল ও কলেজে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ