হেফাজতে মৃত্যু: সরাসরি পদক্ষেপ নেবে আদালত

আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



আটক ব্যক্তি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে মেডিকেল প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বঃপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ নিতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ।
ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার (৫৪ ধারা) ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ধারা (১৬৭ ধারা) প্রয়োগ নিয়ে এক নীতিমালায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ দুই ধারা নিয়ে হাই কোর্টের রায় বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে এসেছে এই নীতিমালা।
এতে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য সন্দেহভাজন কাউকে হেফাজতে নিলে রিমান্ডের মেয়াদ শেষে তাকে আদালতে হাজির করা ওই কর্মকর্তার দায়িত্ব। এ ধরনের ক্ষেত্রে পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনোভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলে বিচারক একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে নির্যাতনের বিষয়টি পরীক্ষা করার নির্দেশ দেবেন। মৃত ব্যক্তিকে কবর দেওয়া হয়ে থাকলে লাশ তুলে পুনঃপরীক্ষা করতে হবে।
“মেডিকেল প্রতিবেদনে নিপীড়নে মৃত্যুর বিষয়টি পাওয়া গেলে হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন অনুসারে ওই কর্মকর্তা, সংশ্লিস্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিস্ট কর্মকর্তার কমান্ডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে হবে।
“মেডিকেল প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে নির্যাতনের ফলে হেফাজতে মৃত্যু বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতীয়মান হলে বিচারক স্বঃপ্রণোদিত হয়ে ওই অপরাধ আমলে নেবেন। মামলা দায়েরের অপেক্ষা করবেন না।”
২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল হাই কোর্ট এক রায়ে ৫৪ ও ১৬৭ ধারার কিছু বিষয় সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রচলিত বিধি ছয় মাসের মধ্যে সংশোধন করার পাশাপাশি ওই ধারা সংশোধনের আগে কয়েক দফা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয় সরকারকে।
এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল গত ২৪ মে খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে হাই কোর্টর রায়ই বহাল থাকে। তবে ৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা দেয়া হবে বলে আপিল বিভাগের রায়ে জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার ৩৯৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর অতিরিক্ত আ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা সাংবাদিকদের বলেন, “হাই কোর্টের রায়টি মোডিফাই করে আপিল বিভাগ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে।”
৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে দশ দফা নীতিমালার পাশাপাশি রায়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচারপতি, ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রতি বেশ কিছু নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
“গাডলাইনে প্রথমেই বলা হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় যারা আছেন, তারা যেন অতি উচ্চ মানের দায়-দায়িত্ব পালন করেন। সে বিষয়ে যথাযথ সক্ষমতা তাদের দেখাতে হবে।
“যাকে গ্রেপ্তার করা হবে তাদের ক্ষেত্রে যেন মানবাধিকার ক্ষুণ্ন না হয়। যে আসামিকে ধরা হবে তাকে যেন নির্যাতন বা হেয় প্রতিপন্ন করা না হয়।”
তবে দেশে যদি যুদ্ধ থাকে বা যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করে, জাতীয় নিরাপত্তা যদি বিঘিœত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় অথবা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থাকে, সেসব পরিস্থিতিকে এই রায়ে ‘ব্যতিক্রম’ হিসেবে ধরা হয়েছে বলে মুরাদ রেজা জানান।
রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ের রিভিউ চাইবে কি না জানতে চাইলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “রায় পুরোপুরি পর্যালোচনা, যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে রিভিউয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্তব্য
১. উঁচু মানের পেশাগত দায়িত্বশীলতা দিয়ে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা মানুষকে সুরক্ষা ও কমিউনিটিকে সেবা দেবে; নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব তারা পালন করবে আইন মেনে।
২. দায়িত্ব পালনকালে তারা মানুষের মর্যাদা রক্ষা ও সম্মান করবেন এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখবেন।
৩. অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কেবল দায়িত্ব পালনে আবশ্যক হলেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করবে।
৪. আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর কেউ নিষ্ঠুর-অমানবিক-মর্যাদাহানিকর কোনো আচরণ, নির্যাতন বা শাস্তি প্রদান অথবা তাতে উসকানি দেওয়ার ঘটনা সহ্য করবে না।
৫. সংবিধান স্বীকৃত নাগরিক অধিকারের প্রতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সম্মানই দেখাবে না, তা মেনেও চলবে।
৬. মানুষের জীবন যেহেতু সবচেয়ে মূলবান সম্পদ, সেহেতু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে।
৭. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক চেষ্টা থাকবে অপরাধের পথ বন্ধ করার দিকে। একটি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর সক্রিয় হওয়ার চেয়ে আগেই তা প্রতিহত করা উত্তম।
গ্রেপ্তার-হেফাজত নীতিমালা
১. কাউকে প্রেপ্তারের পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ বিষয়ে একটি নথি তৈরি করবেন, যেখানে গ্রেপ্তারের স্থান, সময় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকবে।
২. গ্রেপ্তারের সময় ও স্থান এবং আটক রাখার জায়গা গ্রেপ্তার ব্যক্তির স্বজনকে জানাতে হবে। স্বজনদের কাউকে না পেলে ব্যক্তির নির্দেশনা অনুসারে তার বন্ধুকে জানাতে হবে। আর তা করতে হবে ১২ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই।
৩. কোন যুক্তিতে, কার তথ্যে বা অভিযোগে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ঠিকানাসহ তা কেস ডায়েরিতে লিখতে হবে। আটক ব্যক্তি কোন কর্মকর্তার তদারকিতে রয়েছেন, তাও উল্লেখ করতে হবে।
৫. বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক রাখার জন্য কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা যাবে না।
৬. কাউকে গ্রেপ্তারের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে অবশ্যই তার পরিচয় জানাতে হবে। প্রয়োজনে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
৭. গ্রেপ্তার ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন থাকলে চিকিৎসার জন্য তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের কাছ থেকে সনদ নিতে হবে।
৮. ব্যক্তিকে যদি তার বাসা বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেক্ষেত্রে থানায় নেয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি তার স্বজনদের লিখিতভাবে জানাতে হবে।
৯. গ্রেপ্তার ব্যক্তি চাইলে যে কোনো স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করার সুযোগ পাবেন।
১০. কোনো ব্যক্তিকে যখন আদালতে হাজির করা হয়, তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তার ফরওয়ার্ডিং লেটারে ব্যাখ্যা করবেন- কেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার পক্ষে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে, তাও উল্লেখ করতে হবে।
বিচারকদের জন্য গাইডলাইন
ক. আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারা অনুসারে ডায়েরির অনুলিপি ছাড়া কাউকে আদালতে হাজির করে আটকাদেশ চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট, আদালত, ট্রাইব্যুনাল একটি বন্ড গ্রহণ করে তাকে মুক্তি দিয়ে দেবে।
খ. আটক থাকা কোনো ব্যক্তিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট মামলায় যদি গ্রেপ্তার দেখাতে চায়, সেক্ষেত্রে যদি ডায়েরির অনুলিপিসহ তাকে হাজির না করা হয়, তাহলে আদালত তা মঞ্জুর করবেন না। গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ভিত্তি না থাকলে বিচারক আবেদন খারিজ করে দেবেন। গ. উপরোক্ত শর্ত অনুসারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আটকের পর ১৫ দিনে মামলার তদন্ত শেষ না হলে এবং মামলাটি যদি কেবল দায়রা আদালত বা ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যক্তিকে ৩৪৪ ধারা অনুসারে রিমান্ডে পাঠানো যাবে, যা একবারে ১৫ দিনের বেশি হবে না।
ঘ. ফরওয়ার্ডিং লেটার এবং মামলার ডায়েরিতে কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার জন্য সন্তোষজনক কারণ পাওয়া গেলে বিচারক পরবর্তী বিচারিক পদক্ষেপের আগ পর্যন্ত তাকে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে।
ঙ. সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকা- থেকে বিরত রাখার জন্য আটক করা হয়েছে- এমন সন্দেহভাজন কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর আবেদন বিচারক মঞ্জুর করবেন না।
চ. ১৬৭ ধারায় আটক ব্যক্তিকে কোনো আদালতে হাজির করা হলে শর্তগুলো পূরণ হয়েছে কি-না, তা দেখা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের দায়িত্ব।
ছ. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ যদি কাউকে আইনের বাইরে গিয়ে কাউকে আটক করে থাকেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট দ-বিধির ২২০ ধারায় তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন।
জ. হেফাজতে কারও মৃত্যু হলে বিচারক মেডিকেল বোর্ড গঠন করে মৃত ব্যক্তিকে পরীক্ষা করবেন। এমনকি দাফন হয়ে গেলেও লাশ তুলে তা করতে হবে। নিপীড়নে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন অনুসারে ওই কর্মকর্তা, সংশ্লিস্ট থানার ওসি বা সংশ্লিস্ট কর্মকর্তার কমান্ডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে হবে।
ঝ. মেডিকেল প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে নির্যাতনের ফলে হেফাজতে মৃত্যু বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতীয়মান হলে বিচারক স্বঃপ্রণোদিত হয়ে অপরাধ আমলে নেবেন; মামলা দায়েরের অপেক্ষা করবেন না।
মামলার ইতিবৃত্ত
১৯৯৮ সালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে বেসরকারি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করার পর ওই বছরের ২৩ জুলাই মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ-কার্যালয়ে তার মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর বিচারপতি হাবিবুর রহমান খানের নেতৃত্বে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। তদন্ত শেষে কমিটি ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের পক্ষে কয়েকটি সুপারিশ করে।
সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) হাই কোর্টে একটি রিট আবেদন করে। তার চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল হাই কোর্ট এ বিষয়ে কয়েকদফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়।
রায়ে ছয় মাসের মধ্যে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রচলিত বিধি সংশোধন করার পাশাপাশি ওই ধারা সংশোধনের আগে কয়েক দফা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয় সরকারকে।
রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে ২০০৪ সালে তা মঞ্জুর হয়। তবে হাই কোর্টের নির্দেশনা সে সময় স্থগিত করা হয়নি। এর ধারাবাহিকতায় চলতিবছর ২২ মার্চ আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। ২৪ মে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে রায় দেয় সর্বোচ্চ আদালত। ওই রায়ে সন্তোষ প্রতাশ করে ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, “মনে হচ্ছে ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে আমরা একবিংশ শতাব্দীতে প্রবেশ করছি।”
আর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছিলেন, “সব সময় আগে থেকে মামলা করে ধরা সম্ভব হয় না। অপেক্ষা করে বসে থাকলে তো সে পালাবে। যেমন যুদ্ধাপরাধী বাচ্চু রাজাকার গ্রেপ্তারের নির্দেশ শুনে পালিয়েছে।… এগুলো জেনারালাইজ করা যাবে না। একেকটা ঘটনায় একেক রকম পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে যাই হোক না কেন, আদালতের নির্দেশের আলোকেই নিতে হবে। আশা করি আদালতও বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করবে।”
আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করার কোনো যৌক্তিকতা আদালত পায়নি। তবে হাই কোর্টের দেয়া বিধিমালার সব বিষয় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রাসঙ্গিক না থাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য অবশ্য পালনীয় একটি নীতিমালা তৈরি করে দেয়া হল।- বিডিনিউজ