হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত II পাঁচ দিনের শোক II অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মোখবার II রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

আপডেট: মে ২০, ২০২৪, ১১:২৩ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক:


ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তাদের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ইরানের মন্ত্রিসভা এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানি জাতির জন্য নিজের ‘জীবন উৎসর্গ’ করেছেন ইব্রাহিম রাইসি। তার দেখানো পথেই ইরান থাকবে।

রোববার (১৯ মে) আজারবাইজান সীমান্তবর্তী এলাকায় আরাস নদীর ওপর একটি বাঁধ প্রকল্প উদ্বোধনের পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর তাবরিজে ফিরছিলেন রাইসি এবং তার সফরসঙ্গীরা। ঘন কুয়াশার মধ্যে হেলিকপ্টারটি পার্বত্যাঞ্চলে দুর্ঘটনায় পড়ে। এরপর ৪০ জনের বেশি উদ্ধারকর্মী, অনুসন্ধানী কুকুর এবং ড্রোন দিয়ে শুরু হয় বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান। কিন্তু দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কুয়াশার মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে উদ্ধারকর্মীদের বেগ পেতে হয়।

পরে সোমবার (২০ মে) সকালে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেওয়া একটি তুর্কি ড্রোন ‘হিট সোর্স’ শনাক্ত করলে দুর্ঘটনাস্থলের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু পাহাড়ের উপরে হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ার পর ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি’র প্রধান হোসেইন কোলিভান্দ বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে প্রাণের কোনও চিহ্ন মেলেনি।

রয়টার্স লিখেছে, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি পুড়ে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ড্রোন থেকে তোলা বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দোল্লাহিয়ানসহ ওই হেলিকপ্টারে থাকা কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও মারা গেছেন।

৬৩ বছর বয়স্ক রাইসি দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় ২০২১ সালে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। রোববার দুর্ঘটনার পর তাকে জীবিত উদ্ধারের আশা ফিকে হতে থাকলে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানিদেরকে উদ্বিগ্ন হতে বারণ করেন। দেশের কাজে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেন। রাইসির জন্য সবাইকে দোয়া করারও আহ্বান জানান।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারসেও ইব্রাহিম রাইসির জন্য দোয়া করতে বলা হয়। রাষ্ট্রীয় টিভিতে আসা ভিডিওতে মাসাদ শহরে মানুষজনকে প্রেসিডেন্টের জন্য দোয়া করতেও দেখা যায়।
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও আরো কয়েকজনের প্রাণ গেছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ’র বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, রাইসির সঙ্গে তাবরিজ শহরের জুমার নামাজের ইমাম আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ আলি আল-ই হাশেম এবং পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের গভর্নর জেনারেল মালেক রহমাতিও ছিলেন। এছাড়া প্রেসিডেন্টের সুরক্ষায় নিয়োজিত ইউনিটের কমান্ডার সরদার সাইয়্যেদ মেহদি মুসাভিও নিহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন বডিগার্ড ও হেলিকপ্টার ক্রুও রয়েছে যাদের নামা এখনেও জানা যায়নি।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ লিখেছে, প্রেসিডেন্ট রাইসিসহ অন্যদের লাশ উদ্ধার করে তাবরিজে নেওয়া হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো তাবরিজের কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান হোসেইন কোলিভান্দ জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর সোমবার সকালে জরুরি বৈঠকে বসে ইরানের মন্ত্রিপরিষদ। পরে তারা একটি বিবৃতি দেন। প্রেসিডেন্ট ও তার সফরসঙ্গীদের মৃত্যুতে বিবৃতিতে শোক জানানো হয়। প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে প্রশাসনিক কোনো কাজে ব্যাঘাত ঘটবে না বলেও জনগণকে আশ্বস্ত করা হয়।

ইরানে পাঁচদিনের শোক
প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে দেশজুড়ে পাঁচ দিনের শোক ঘোষণা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সোমবার (২০ মে) সরকারি এক বিবৃতিতে, প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ তাদের সফর সঙ্গীদের মৃত্যুতে ইরানের জনগণের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
সরকারি বিবৃতিতে খামেনি বলেন, আমি আমার প্রিয় ইরানি জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিসহ অন্যদের মৃত্যুতে দেশজুড়ে পাঁচদিনের সরকারি শোক ঘোষণা করছি।

অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট
প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে সংবিধান অনুযায়ী ইরানি অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন দেশটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবার। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সংবিধানের ১৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দায়িত্বরত কোনো প্রেসিডেন্ট মারা গেলে ভাইস প্রেসিডেন্ট দায়িত্বগ্রহণ করবেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ৬৮ বছর বয়সী মোখবারই অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার কথা। তবে সেজন্য সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় কোনও প্রেসিডেন্ট মারা গেলে ৫০ দিনের মাঝে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে নির্বাচন আয়োজন করে থাকে ইরানের ৩ সদস্যের একটি পরিষদ। সেখানে ১ম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোখবার ছাড়াও আছে পার্লামেন্টের স্পিকার ও বিচার বিভাগের প্রধান।
ইব্রাহিম রাইসির মতই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ মোখবার জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর। ২০২১ সালে তিনি প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। আর রাইসি সেসময় হন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে, উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী বাগেরি কানিকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ইরানের মন্ত্রিসভা।

জানাজা ও দাফন
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুল্লাহিয়ানসহ সফর সঙ্গীদের জানাজা ও দাফন মঙ্গলবার (২১ মে) তাবরিজ শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস কর্পসের সাথে সংযুক্ত দেশটির আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ জানায়, জানাজার আগে মরদেহগুলো তাবরিজের একটি ফরেনসিক বিভাগে নিয়ে যাওয়া হবে। তাবরিজ শহরটি ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের রাজধানী। তাবরিজের জোলফা এলাকার কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির আবদুল্লাহিয়ানসহ হেলিকপ্টারের যাত্রীদের মৃত্যুতে শোক জানায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শোকবার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। তিনি দেশটির নাগরিক ও প্রেসিডেন্টের স্বজনদের গভীর সমবেদনা জানায়।
পৃথক এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাইসিকে একজন বড় মাপের নেতা উল্লেখ করে বলেন, তিনি সারাজীবন তার দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। তার কাজের উপকার ভোগ করছেন দেশটির নাগরিকরা।
তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিশ্বজুড়ে শোক, প্রতিক্রিয়া
ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও গোষ্ঠীর নেতারা শোক এবং প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে সেগুলো তুলে ধরা হল।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন: সৈয়দ ইব্রাহিম রাইসি একজন অসাধারণ রাজনীতিক ছিলেন যার পুরো জীবন মাতৃভূমির সেবায় নিয়োজিত ছিল। রাশিয়ার একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে তিনি আমাদের দেশগুলোর মধ্যে ভাল প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে অসামান্য ব্যক্তিগত অবদান রেখেছেন ও তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে নিয়ে আসতে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়িপ এরদোয়ান: আমি জনাব রাইসিকে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। যিনি ক্ষমতায় থাকাকালে ইরানি জনগণ ও আমাদের অঞ্চলে শান্তির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. সৈয়দ ইব্রাহিম রাইসির শোচনীয় মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে দুঃখিত ও মর্মাহত। ভারত-ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তার অবদান সব সময় স্মরণ করা হবে। তার পরিবার ও ইরানের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। এই শোকের সময়ে ভারত ইরানের পাশে আছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ: মহান ইরান জাতি এই শোচনীয় শোক তাদের স্বভাবগত সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারবে বলে আশা করছি। প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সঙ্গীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং ভ্রাতৃসম ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে একদিনের শোক পালন করবে পাকিস্তান এবং পতাকা অর্ধনমিত রাখবে।

মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তা আল-সিসি: আরব প্রজাতন্ত্র মিশরের প্রেসিডেন্ট ভ্রাতৃসম ইরানি জনগণের প্রতি তার আন্তরিক সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করছে আর দোয়া করছে যেন ইরানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ও অন্যরা সর্বশক্তিমান আল্লার রহমতে বিশ্রাম নিতে পারে, তাদের পরিবারগুলিকে ধৈর্য ও সান্তনা দিন। এই ভয়াবহ ঘটনায় ইরানের নেতৃবৃন্দ ও জনগণের সঙ্গে আরব প্রজাতন্ত্র মিশর সংহতি প্রকাশ করছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম: গত নভেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় প্রেসিডেন্ট রাইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সম্মান পেয়েছিলাম। তিনি তার জনগণের কল্যাণ ও জাতির মর্যাদার প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতির উদাহরণ রেখেছিলেন। ইরানি জাতি ইসলামের মূল নীতিতে নিহিত একটি গর্বিত ও সমৃদ্ধ সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করে।
শান্তি, ন্যায়বিচার ও উম্মাহর উন্নতির প্রতি তার নিবেদন সত্যিকারভাবে অনুপ্রেরণাদায়ী ছিল। আমরা মালয়েশিয়া-ইরানের সম্পর্ক জোরদারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আমাদের জনগণ ও মুসলিম বিশ্বের উন্নতির জন্য একসঙ্গে কাজ করছি। আমাদের অঙ্গীকার পূরণ হবে।”

লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী: হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে, ইরানি জাতিকে রক্ষার জন্য আত্ম-ত্যাগকারী শহীদদের সংগ্রাম এবং ইরানের প্রতি তাদের সেবার প্রশংসা করেছে। আল্লাহকে তার রহমত দিয়ে তাদের সুখী করার জন্য এবং খামেনিকে রক্ষা আহবান জানিয়েছে। আর ইরানকে ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে এই বিপর্যয় মোকাবেলা করার ক্ষমতা দেয়ার আহবান জানিয়েছে।

এর পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে, জর্ডানের বাদশা আব্দুল্লাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাখতুম, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি, ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল, জাপান সরকার, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস, ইয়েমেনের হুতি প্রধান মোহাম্মদ আলি আল হুতি, কাতারের আমির শেখ তামিন বিন হামাদ আল-থানি ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির শোচনীয় মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ