বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট: December 6, 2019, 1:03 am

মো. তাজেমুল হক


(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

গান্ধীর সোধপুর আশ্রমে গান্ধী সোহরাওয়ার্দীর বৈঠক হলো এবং তৈরি হলো শান্তি মিশন যা গান্ধী- সোহরাওয়ার্দী পিস মিশন বা গান্ধী পিস মিশন নামে খ্যাত। এ পিস মিশনের কাজে গান্ধী- সোহরাওয়ার্দী এক সঙ্গে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা, ভরতপুর, আলোয়াড়, দিল্লি, পূর্ব পাঞ্জাব, প্রভৃতি এলাকায় জনসমাবেশ করে বেড়াতে লাগলেন। এ সমস্ত সভায় তিনি হিন্দু মুসলমানদের ভারত বিভাগ মেনে নিয়ে সৌহার্দ সম্প্রীতির মাধ্যমে দেশের সু-নাগরিক হয়ে বসবাসের অনুরোধ জানালেন। এর ফল খুব ভালো হলো। ধীরে ধীরে সমাজে শৃঙ্খলা ফিরে আসতে লাগলো এবং ভারতের মুসলমানরা ভারত ত্যাগ না করে ভারতেই থেকে যাওয়ার মনস্থির করলেন। এর ফলে পাকিস্তানে শরণার্থীর চাপ অনেকটা কমে গেল। পশ্চিমবঙ্গে শান্তি মিশনের কাজ অনেক খানি এগিয়ে গেলে অক্টোবর মাসে মহত্মা গান্ধী দিল্লি যান। পূর্ব পাঞ্জাব এবং আশেপাশের প্রদেশগুলিতে তখন হিন্দু-মুসলিম সম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও অন্যন্য অঞ্চল থেকে শিখ ও হিন্দুরা দিল্লিতে এসে মুসলমানদের তাড়িয়ে দিয়ে তাদের বাড়ি-ঘর দখল করছে। দেশ বিভাগের ফলে ভারতের কাছে পাকিস্তানের প্রাপ্য ৫০০ মিলিয়ন টাকা সর্দার প্যাটেলের উস্কানিতে ভারত সরকার পাকিস্তানকে দিতে অস্বীকার করলে, সোহরাওয়ার্দী দিল্লি যান এবং বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে গান্ধীকে অনুরোধ জানান। মহত্মা গান্ধী পাকিস্তানের প্রাপ্য টাকা ভারত সরকারকে অনতিবিলম্বে পরিশোধ করিতে বলেন, অন্যথায় তিনি আমরণ অনশন শুরু করবেন বলে হুশিয়ারি দেন। ফলে ভারত সরকার পাকিস্তানের প্রাপ্য টাকা ফিরিয়ে দেয়। এতে করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের লোকজন গান্ধী ও সোহরাওয়ার্দীর উপর ক্ষিপ্ত হয়। তারা সোহরাওয়ার্দীকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়। ১৯৪৮ সালের ২০ জানুয়ারি তারা গান্ধীর বিড়লা পার্কের প্রার্থনা সভায় বোমা নিক্ষেপ করে কিন্তু গান্ধীজি প্রাণে বেঁচে যান। তার ১০ দিন পর ত্রিশ জানুয়ারি বিড়লা হাউসের প্রার্থনা সভায় যাবার সময় মহত্মা গান্ধীকে তারা গুলি করে মারে। বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় গান্ধীজী একটি কথায় উচ্চারণ করেছিলেন “হায় রাম”! তার পরেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। গান্ধীর মৃত্যুতে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ভীষণ আঘাত পেয়ে ছিলেন। তিনি একা হয়ে যান। গভীর ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তিনি বিবৃতি দিয়েছিলেন যার প্রথম লাইন ছিলো ‘উইপ ইন্ডিয়া উইপ’। ১৯৪৯ সালের প্রথম দিকে সোহরাওয়ার্দী ভারত ছেড়ে পাকিস্তানে চলে আসেন। দেশ ভাগের পরেও সোহরাওয়ার্দীর ভারতে অবস্থান পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভালো চোখে দেখছিলো না। তারা তাকে ভারত থেকে তাড়ানোর সুযোগ খুঁজছিলো। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার নিকট তেকে ৬৭ লক্ষ টাকা আয়কর দাবী করে বসলো এবং তার ব্যক্তিগত মোটর গাড়িটি পর্যন্ত আটক করলো। এভাবে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে এই জননেতাকে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল কলকাতা ছেড়ে খালি হাতে লাহোরে চলে আসতে হল। অনেক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ১৯৫৪ সালে তিনি মোহাম্মদ আলী মন্ত্রিসভায় আইন মন্ত্রী হিসেবে যোগ দান করেন এবং তার ওপর ন্যাস্ত হলো পাকিস্তানের সংবিধান রচনার দায়িত্ব। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালে ১২ই সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ-রিপাবলিক্যান কোয়ালিশান মন্ত্রিসভা গঠন করেন। তিনি হন পাকিস্তানের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৫৮ সালে ২৭ অক্টোবর রাতে পাকিস্তানের প্রধান সেনাপতি জেনারেল আইযুব খান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জাকে পদত্যাগে বাধ্য করে ক্ষমতা দখল করেন এবং তিনি রাতারাতি হয়ে যান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। ক্ষমতা দখল করার পর প্রেসিডেন্ট আইয়ুব ক্ষমতা পাকাপাকি করার কাজে মনোনিবেশ করেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো গণতন্ত্রমনা ও আদর্শবাদী রাজনীতিবিদকে তিনি ভয় করতেন। আইয়ুব খান তার পথ কণ্ঠকমুক্ত করতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নামলেন। ১৯৫৯ সালে ৭ আগস্ট তিনি ইলেকটিভ বডিজ ডিস কোয়ালিফিকেশান অর্ডার (এবডো) নামে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করলেন। এর ফলে সোহরাওয়ার্দীর রাজনীতি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো এবং তিনি ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলে বলা হলো। এসময় শহীদ সোহরাওয়ার্দী আইন ব্যবসায় নিয়োজিত ছিলেন। ইতোমধ্যে আইয়ুব খান কনস্টিটিউশন কমিশন গঠন করে তার সুবিধা মতো সংবিধান তৈরি করিয়ে নেন। এ শাসনতন্ত্র জারি করার পথে সোহরাওয়ার্দী বড় বাধা হতে পারে বিবেচনায় আইয়ুব খান ১৯৬২ সালের ৩০ জানুয়ারি শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে এবডো আইনে গ্রেফতার করে জেলে পাঠান। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিচারযোগ্য অভিযোগ আনা হয়নি। বলা হলো, তিনি রাষ্ট্রবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত। ৬ মাস ২০ দিন কারা ভোগের পর ১৯শে আগস্ট ১৯৬২ সালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় আসলে বিমান বন্দরে তাকে অভুতপূর্ব সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তার অনুসারী ও সর্ব সাধারণকে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলনের ডাক দেন। আগেই বলেছি ভারত বিভাগ পূর্বকালে বাংলার মুসলিম লীগ দুটি গ্রুপে বিভক্ত ছিল। একটি খাজা নাজিমুদ্দিন গ্রপ ও অপরটি সোহরাওয়ার্দী গ্রুপ। খাজা নাজিম ছিলেন সোহরাওয়ার্দীর চির প্রতিদ্বন্দ্বী। সোহরাওয়ার্দীর সুমহান ব্যক্তিত্ব, সীমাহীন কর্মদক্ষতা এবং আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তাকে নাজিমুদ্দিন সবসময় ভয় করেছেন এবং সুয়োগ পেলেই শত্রুতা করার চেষ্টা করেছেন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট দেশ ভাগ হলো। ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী রইলেন। ওই তারিখেই তিনি পূর্ব বাংলার দায়িত্ব অর্পন করলেন খাজা নাজিমের কাছে এবং পশ্চি বঙ্গের প্রধানমন্ত্রীত্বের দায়িত্ব হস্তান্তর করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভার নেতা পি,সি ঘোষের কাছে। বাংলার মতো পাঞ্জাবও ভাগ হয়েছিল। পাঞ্জাবের প্রধান মন্ত্রী ইফতেখার হোসেন খান দেশ ভাগ হওয়ার পরেও পশ্চিম পাঞ্জাবের প্রধান মন্ত্রী রইলেন। লিয়াকত আলী খান ভারতের অধিবাসী হয়েও পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হলেন। কিন্তু বাংলায় সোহরাওয়ার্দীর ক্ষেত্রে বলা হলো যেহেতেু বাংলা ভাগ হয়ে গেছে তাই নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে। ০৫ আগষ্ট, ১৯৪৭ কলকাতায় নেতা নির্বাচনের ভোটাভোটি হলো। খাজা নাজিম টাকার বিনিময়ে এম.এল.এ দের ভোট কিনে সোহরাওয়ার্দীকে পরাজিত করে পূর্ব বাংলার তথা পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হয়ে ঢাকায় চলে এলেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ভারতে থেকে পিস মিশনের কাজ চালাতে লাগলেন। দেশ ভাগের পর সোহরাওয়ার্দী জোট সমর্থক মুসলিম লীগ নেতা , কর্মী , ও প্রগতিশীল ছাত্র সমাজ, কলকাতা ও কিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ঢাকার ১৫০ নম্বর মুঘল টুলিস্থ মুসলিম লীগ, মুসলিম ছাত্রলীগ কর্মী অফিসে জড় হতে থাকে। খাজা নাজিম বিষয়টি ভালো চোখে দেখেননি। দেশ ভাগের পর বঙ্গীয় মুসলিম লীগ খাজা গ্রুপের দখলে চলে যায়। সোহরাওয়ার্দী পিস মিশনের কাজে পূর্ববঙ্গে আসলে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। এবং পূর্ববঙ্গে তাঁর আগমন নিষিদ্ধ করা হয়। সোহরাওয়ার্দী জোটের নিবেদিত, ত্যাগী মুসলিম লীগ কর্মীরা যারা পাকিস্তানের জন্য আন্দোলন করেছিলেন তারা যে শুধু অবহেলিত হলেন তাই নয় বরং তারা বহু ভাবে নির্যাতনের শিকার হলেন। এভাবে পূর্ব বাংলায় এমন কী পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধী দল গঠনের পটভূমি রচিত হ’ল। পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ সরকারের জুলুম নির্যাতন উপেক্ষা করে এ বিরোধী শিবির রাজনৈতিক কর্মীদের এক সম্মেলনের ডাক দিলেন । ১৯৪৯ সালে ২৩ জুন কে এম বসিরের কেএম দাস লেনস্থ রোজ গার্ডেনে এ সম্মেলন আয়োজন করা হলো। জনাব আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে নতুন রাজনৈতিক দল আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম হলো কালক্রমে যা আওয়ামী লীগে রূপ পায়। জন্মলগ্নে এ দলের সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক। এদলের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক হলেন, শেখ মুজিবুর রহমান, পরবর্তীতে যিনি হলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। ১৯৫৩ সালে লাহোরে এক সম্মেলনের মাধ্যমে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের আহবায়ক নির্বাচিত হন। এবং পরে তিনি হন এ দলের সভাপতি।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন সার্বিক মানবীয় গুনে গুনান্¦িত একজন মানুষ। তিনি ছিলেন আপনভোলা জনদরদী একজন নেতা। এ শুধু কথার কথা নয়- তাঁর জীবনী বিশ্লেষণ করলে ভুরিভুরি প্রমাণ মিলবে। ১৯৪৩ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। দেশ ভয়ংকার দুর্ভিক্ষের কবলে। তিনি বাংলার সিভিল সাপ্লাই মন্ত্রী। তিনি জানেন, কলকাতার মড়োয়ারি ও বড় বড় ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার লোভে চাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য গুদামজাত করে রাখছে। খাদ্য সংকটের জন্য এরাও অনেকখানি দায়ী। তিনি গোয়েন্দা মারফত তথ্য সংগ্রহ করে অতিদ্রুত গোপনীয় একটি স্কিম তৈরি করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে এসব গুদামের মালামাল সিজ করে গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করেন। এসময় সুতার অভাবে বাংলার তাঁতীদের অবস্থা খুবই শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছেছিল। তাঁত প্রায় বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম। কাপড়ের অভাবে দরিদ্র মানুষের নাজেহাল অবস্থা । কলের দামি বস্ত্র কেনা তাদের সামর্থের বাইরে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একজন সৎ, দরদী, দেশ প্রেমিক ডিস্ট্রিবিউটর খুঁজছিলেন। তিনি পেয়েও গেলেন টাঙ্গাইলের আরপি সাহাকে। যদিও মাড়োয়ারিসহ অন্যন্য ব্যবসায়ীরা এইকাজের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। তিনি আরপি, সাহাকে এ কাজের জন্য মনোনিত করলেন। তিনি তাকে বললেন, ‘আমি তোমাকে একটি বড় কাজ দেব। আমি জানি তুমি সৎ, ও দেশ দরদী মানুষ। তুমিই পারবে এই কাজ, কেননা তোমার অনেক লঞ্চ আছে, নৌকা আছে। আমি তোমাকে সুতার একক ডিস্ট্রিবিউটর নিয়োগ করতে চায়, যাতে করে সুতাগুলো প্রকৃত তাঁতীদের কাছে গিয়ে পৌঁছায়, ওদের বড় দুর্দিন চলছে। জানি এতে তোমার অনেক লাভ হবে। এ লাভের টাকা দিয়ে তুমি জনহিতকর কাজ করবে।’ জবাবে আরপি সাহা বলেছিলেন, ‘স্যার, আমি আপনার কথার মর্যাদা রাখব। এ লাভের টাকা দিয়ে আরপি সাহা তার মায়ের নামে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতাল বানিয়েছিলেন। পরে রনদা প্রসাদ সাহা তার সমস্ত সম্পত্তি কুমুদিনি ট্রাস্টকে দান করে যান। শহীদ সোহরাওয়ার্দী রাজনীতিতে ছিলেন অসম্ভব গণতন্ত্রমনা। আকাশের মতো উদার ও নির্মল ছিল তার মন। তিনি সততা, যোগ্যতা ও মেধার মূল্য বুঝতেন। নিজের স্বার্থ বুঝতেন না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে সোহরাওয়ার্দী সম্পর্কে লিখেছেন, ‘শহীদ সাহের ছিলেন উদার, নীচতা ছিলোনা। দল মত দেখতেন না, কোটারী করতে জানতেন না, গ্রুপ করার চেষ্টাও করতেন না। উপযুক্ত হলেই তাকে পছন্দ করতেন এবং বিশ্বাস করতেন। কারণ তার আত্ম বিশ্বাস ছিল অসীম। তার সাধুতা নীতি, কর্ম শক্তি ও দক্ষতা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে চাইতেন। এজন্য তাকে বার বার অপমানিত ও পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ’
(চলবে)
লেখক: অধ্যক্ষ (অব.) চক্কীর্তি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ