১১ জন স্বামীকে সর্বস্বান্ত করে পাকড়াও ‘ঠগিনী’

আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


অনুপকুমারের সরলতার সামনে শেষমেশ ধরা দিতে বাধ্য হয়েছিল তরুণ মজুমদারের ‘ঠগিনী’৷ কিন্তু সুবোধ ঘোষের গল্পের সঙ্গে বাস্তবের বেশ ফারাক৷ আর তাই ১১ জন স্বামীকে সর্বস্বান্ত করে দিব্যি ছিল বাস্তবের ‘ঠগিনী’৷ তবে শেষমেশ পুলিশের জালে পাকড়াও হল সে৷
পাত্রী সুন্দরী৷ সেই ফাঁদে পা দিতে পুরুষ দেরি করত না৷ বিশেষত বিয়ে নিয়ে যাঁরা বিপর্যস্ত তাঁরাই এই আগুনে ধরা দিতেন৷ ডিভোর্সি বা গায়ের রঙের জন্য সাধারণ পাত্রীরা যাঁদের পছন্দ করত না, তাঁরাই সুন্দরী কন্যার সান্নিধ্য পেয়ে কৃতার্থ বোধ করতেন৷ সেখান থেকেই গোলযোগের সূত্রপাত৷ সাত পাকে বাঁধা পড়তে বিশেষ সময় লাগত না৷ সুন্দরী বউ বেশ কিছুদিন সুখে সংসার করত৷ তারপর কোনও একদিন শেষপাতে মিশিয়ে দিত ঘুমের ওষুধ৷ অতঃপর টাকাকড়ি, গয়না নিয়ে চম্পট৷ একাধিকবার এ কাজ করেছে সে৷ কিন্তু কেউই পুলিশের দ্বারস্থ হয়নি৷ তাই খোঁজও পড়েনি৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোচির এক বর লরেন জাস্টিন অভিযোগ জানায়৷ শুরু হয় তদন্ত৷ মাসদুয়েক পর ঠগিনীর নাগাল পায় পুলিশ৷ নয়ডা ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযানেই ধরা পড়ে সে৷ জানা যাচ্ছে, শুধু কেরলেই আরও তিনজনকে এইভাবে বিয়ে করেছিল ওই মহিলা৷ তার সঙ্গে গ্রেফতার হয় তার স্যাঙাতরাও৷
জানা যাচ্ছে, আসলে ইনদওরের বাসিন্দা ওই মহিলা৷ পাত্রদের সম্পর্কে রীতিমতো গবেষণা করেই এ কাজ করত সে৷ তবে নিজের সম্পর্কে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই মহিলা৷ তার দাবি, বিয়ে ঠিকঠাক ছিল না বলেই, সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিল সে৷ তবে প্রত্যেকটা বিয়ের ক্ষেত্রেই কি এই অজুহাত টিকবে! আপাতত পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷- সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ