২০২১ সাল হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বছর

আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২০, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


নতুন বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সমৃদ্ধির হাতছানি রয়েছে। ২০২০ সালের প্রতিকূল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা ২০২১ সালে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ হবে সারা বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত। কারণ, মহামারির ধাক্কা সামলে নিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এখনও গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা রয়েছে। প্রবাসী আয় দ্রুত গতিতে বাড়ছে। রফতানি আয় বাড়ছে। মেগা প্রকল্পে গতি এসেছে। সংকটে থাকা শেয়ারবাজার এখন প্রাণ খুঁজে পেয়েছে। ব্যাপক বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত রয়েছে টাকা ব্যাংকের কাছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলোও বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যেভাবে সরকার ২০২০ সালে অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব মোকাবিলা করেছে, তাতে ২০২১ সাল হবে বাংলাদেশের জন্য সমৃদ্ধির বছর। বেশিরভাগ অর্থনীতিবিদ মনে করেন, ২০২০ সালের করোনার আঘাতের পরও দেশের অর্থনীতির যেসব সূচক ভালো অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলো ২০২১ সালে আরও শক্তিশালী হবে। আর যেগুলো দুর্বল অবস্থায় আছে, সেসব সূচকও ঘুরে দাঁড়াবে। আগামী জুলাই-আগস্টের পর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় উল্লম্ফন শুরু হতে পারে বলে মনে করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের গবেষক ড. জায়েদ বখত।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আপাতত মনে হচ্ছে করোনা একেবারে চলে যাবে না, টিকা আসতেও দেরি হতে পারে। তার মতে, দ্বিতীয় ধাপের করোনায় যদি লকডাউনে যেতে না হয়, তাহলে অর্থনীতির সব সূচকই গতিশীল হবে।’ প্রবাসী আয়সহ অর্থনীতির বেশ কয়েকটি সূচক এরই মধ্যে শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন দেশে বিনিয়োগ শুন্য। তবে নতুন বছরে দেখা যাবে, সবাই বিনিয়োগে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। করোনার কারণে যেসব কাজ ঝিমিয়ে পড়েছিল, সেগুলোও সচল হবে। অর্থনীতিও ঘুরে দাঁড়াবে।’
ড. জায়েদ বখতের সঙ্গে একমত পোষণ করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগামী মার্চ পর্যন্ত এভাবে যাবে। তবে আগামী জুলাই- আগস্টে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘দেখা যাবে, হঠাৎ করে ওই সময় বিনিয়োগ শুরু হয়ে গেছে। তখন বিশ্ব অর্থনীতিও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে। কারণ, অনেক দেশই টিকা পেয়ে যাবে।’ তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের সব মানুষ টিকা পেতে আরও কয়েক বছর লাগলেও উন্নত দেশগুলো আগেই টিকা পেয়ে যাবে। ফলে তাদের কেনাকাটা, ভ্রমণ, ভোগ ব্যয় বাড়বে। তখন আমাদের রফতানি ও শ্রম বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কৃষিতে সহায়তা এবং রেমিট্যান্স ও রফতানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে ভূমিকা ছিল, তা অব্যাহত থাকলে কোনও সমস্যা হবে না।’ তিনি মনে করেন, সমৃদ্ধির জন্য নতুন বছরে কৃষি সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার আরও সহজ করতে হবে।
রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স : সরকারের প্রণোদনা ও হুন্ডি বন্ধ হওয়াতে করোনা মহামারিতেও রেমিট্যান্স আসছে আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১০ দিনে ৮১ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সব মিলিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে এসেছে ২০ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৯ সালের পুরো সময়ের চেয়ে প্রায় ১২ শতাংশ বেশি। এর আগে এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিট্যান্স আর কখনও আসেনি। ২০১৯ সালে ১৮ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-নভেম্বর পাঁচ মাসে মোট ১০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। এই হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট ১১ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। করোনাভাইরাস মহামারির মাঝেই অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।
শক্তিশালী হচ্ছে শেয়ারবাজার : দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধনে একের পর এক রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৮ ডিসেম্বর দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডিএসইর বাজার মূলধন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যদিও ছয় মাস আগে হতাশার কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশের শেয়ারবাজার। গত জুলাই মাসের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা।
বর্তমানে সেই বাজার টেকসই বাজারে রূপ নিচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে টেকসই হবে পুঁজিবাজার। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) তিনি একটি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিএসইসি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা দেবে।
আশা জাগাচ্ছে রফতানি আয় : ব্যবসায়ীরা বলছেন, মহামারি করোনার কারণে যে ধাক্কা লেগেছে রফতানি খাতে, আগামী মার্চ-এপ্রিল থেকে সেই ধাক্কা কেটে যাবে। শুধু তাই নয়, তৈরি পোশাক রফতানিতে বড় উল্লম্ফন ঘটতে পারে।
এ প্রসঙ্গে নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘এখন আমরা সবাই টিকার দিকে তাকিয়ে আছি। ভ্যাকসিন দ্রুতই চলে আসছে বলে মনে হচ্ছে। সবাই যখন ঘর থেকে বের হবে, তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’
অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির পর থেকে তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাড়তে পারে। যারা টিকা পেয়ে যাবেন তাদের কেনাকাটা, ভ্রমণ ও ভোগ ব্যয় বাড়বে। এতে করে আমাদের রফতানি খাত দ্রুত এগিয়ে যাবে। এরই মধ্যে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে রফতানি বাণিজ্য।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, অক্টোবরে ধাক্কার পর নভেম্বরে ফের প্রবৃদ্ধিতে ফিরেছে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সূচক রফতানি আয়।
করোনাভাইরাস মহামারিতে বিশ্বের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় গত এপ্রিলে বাংলাদেশের রফতানি আয় তলানিতে ঠেকেছিল। ওই মাসে সব মিলিয়ে মাত্র ৫২ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল। পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩৬ কোটি ডলার। এর পর মে মাসে রফতানি আয় বাড়তে শুরু করে। জুনে তার চেয়ে অনেক বাড়ে। এরপর চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেও সেই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল। প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ওই তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আয় দেশে আসে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বর মাসে ৩০৭ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক ২০১৯ সালের নভেম্বরের চেয়ে দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। গত বছরের নভেম্বরে আয় হয়েছিল ৩০৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) এক হাজার ৫৯২ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই পাঁচ মাসে পণ্য রফতানি থেকে এক হাজার ৫৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছিল বাংলাদেশ।
গতি পেয়েছে মেগা প্রকল্প : মহামারি করোনার কারণে লকডাউন আর বিদেশি শ্রমিক-প্রকৌশলীদের অনেকে দেশে ফিরে যাওয়ায় এ বছর সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় প্রকল্পের কাজ এগোতে পারেনি কাঙ্ক্ষিত দ্রুততায়। তবে বছরের শেষ দিকে এসে গতি পেয়েছে অধিকাংশ প্রকল্প। স্বপ্নের পদ্মা সেতু এই ডিসেম্বরেই পেয়েছে পূর্ণ অবয়ব। একইভাবে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩১ শতাংশের বেশি ভৌতকাজ এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে। এদিকে মহামারির মাঝেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে দিনরাত কাজ চালিয়ে মেয়াদের তিন বছর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশের প্রথম মেট্রোরেল চালু করার নতুন লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে এখন। এছাড়া অন্যসব মেগা প্রকল্পের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে ।
আশা জাগানিয়া জিডিপি প্রবৃদ্ধি : মহামারি করোনাকালে যেখানে বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির দেশে কোনও প্রবৃদ্ধিই হচ্ছে না, সেখানে বাংলাদেশ মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৮ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি আশা করছে। এর আগে টানা তিন মাস লকডাউনের কারণে সব কিছু বন্ধ থাকার পরও গত অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, দুর্দান্ত গতিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলা শুরু হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে ২০১৫ সালেই।
জাতিসংঘের হিসাবে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের সিঁড়িতে পা দেবে ২০২৪ সালে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলছে, ২০২০ সালে পঞ্জিকাবর্ষে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফ বলছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার, একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার। আইএমএফের বরাত দিয়ে মাথাপিছু জিডিপির বিষয়ে অনেকেই বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসাও করছে।
এদিকে ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) এর সর্বশেষ রিপোর্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বিকাশ অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবল ২০২১’ নামের ওই রিপোর্টটি গত শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হয়। এতে মূলত সামনের বছর ও আগামী ১৫ বছরে বিশ্বের কোন দেশের অর্থনীতি কী হারে বাড়বে, তার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সিইবিআর প্রতিবছর এই রিপোর্ট প্রকাশ করে।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল নাগাদ ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বহু ধাপ ওপরে উঠে পৌঁছে যাবে ২৫ নম্বরে। ২০২০ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বাংলাদেশ যেহেতু করোনাভাইরাসের মধ্যেও কিছুটা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে, তাই সামনের বছরগুলোতে বাংলাদেশে ধারাবাহিক ও জোরালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আশা করছে সিইবিআর। সিইবিআর’র পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২১ সাল হতে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ঘটবে গড়ে ছয় দশমিক আট শতাংশ হারে। তবে এর পরের ১০ বছরে এই হার কিছুটা কমে গড়ে ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ হবে। সিইবিআর বলছে, ২০২০ হতে ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির সূচকে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৩৪। এর পাঁচ বছর পর ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতি। ২০৩৫ সালে ঢুকবে প্রথম ২৫টি দেশের তালিকায়।- বাংলা ট্রিবিউন