২৩ মার্চ

আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

২৩ মার্চ ১৯৬৬ : বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা ঘোষণা করেন।
২৩ মার্চ ১৯৭১ : কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালনের ঘোষণা দেন। সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি ভবনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু এদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন।
২৩ মার্চ ১৯৭১ : ইয়াহিয়া নাটকীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে প্রচার করেন এবং আগামীতে এই আলোচনা আরো অগ্রগতি হবে বলে উল্লেখ করেন।
২৩ মার্চ ১৯৭১ : উৎফুল্ল জনতার ঢল বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে আসতে থাকে। বঙ্গবন্ধু উৎফুল্ল জনতার মাঝে মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলার পতাকা তুলে ধরেন। উৎফুল্ল জনতার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বাংলার দাবির প্রশ্নে কোনো আপোষ নাই।’
২৩ মার্চ ১৯৭১ : বাঙালিকে বৃহত্তর সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করে শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে এই দিনটিকে প্রতিরোধ দিবস হিসাবে পালন করা হয়। পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে প্রথমবারের মতো সারা দেশে একটি বাংলাদেশি পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ভোরের বিরতিতে শেখ মুজিবুর রহমান তার ধানমন্ডির বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত কক্তৃতায় তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘‘এই সংগ্রাম চলবে যতক্ষণ না কোটি লোক এতে অংশগ্রহণ না করে।”
২৩ মার্চ ১৯৭২ : ঢাকায় এক সুধিসমাবেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন তাতে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশের গত কয়েক যুগের রাজনৈতিক অস্থিরতা, দারিদ্র্য ও দুর্ভোগের মূল কারণ সাম্প্রদায়িকতা। ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে রাষ্ট্রীয় সাম্প্রদায়িকতায় রূপ দেওয়া হয়েছে। এটা সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের ফল। আগে যা ছিল সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে হানাহানি এখন তা-ই রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে হানাহানির রূপ ধারণ করেছে। ভারত বিরোধিতা এই রাষ্ট্রীয় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ হিসেবেই স্বাধীন জাতীয়তাবাদী এবং ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের অভ্যুদয়। আমরা যদি সকল প্রতিকূলতার মধ্যে সেক্যুলার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারি তাহলে এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা সফল হবে।’