২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বড়াইগ্রামে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৭, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ইতোপূর্বে ২৫ জুলাই থেকে দেশজুড়ে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, মৃতদের বাদ দেয়া ও ভোটারের ঠিকানা স্থানান্তরের জন্য তথ্য সংগ্রহকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম ৯ আগস্ট শেষ হয়েছে।
এ উপজেলায় বিগত দুই সপ্তায় আট হাজার নয় জন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ১৩৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ২৪ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে।
তারা এর মধ্যে ৫১৮৮ জনের তথ্য ফরম পুরণ করেছেন। রেজিস্টারে নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে ২৮২১ জনের। মারা যাওয়ার কারণে তালিকা থেকে বাদ যাবে ৩ হাজার ৭৬৯ ভোটারের নাম। রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ ২ হাজার ৮২১ জনের নাম তথ্য ফরমে উঠানো হয় নি কারণ-তাদের মধ্যে কেউ কেউ এলাকায় অনুপস্থিত রয়েছেন, কারো বা জন্ম নিবন্ধন নাই এবং কারোবা জন্ম নিবন্ধন ভূল। তবে তথ্য সংগ্রহের সময় সীমা আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইছাহাক আলী সরকার।
বড়াইগ্রাম উপজেলায় নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ২টি পৌর নিবন্ধন কেন্দ্রে শুরু হবে ছবি তোলাসহ ভোটার নিবন্ধনের কাজ। তারমধ্যে নগর ইউনিয়নবাসীর ২৩ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর, গোপালপুরবাসীর ২৭ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর, চান্দাইবাসীর ২ও ৩ অক্টোবর, জোনাইলবাসীর ৪ থেকে ৬ অক্টোবর, বড়াইগ্রামবাসীর ৭ থেকে ৯ অক্টোবর, বড়াইগ্রাম পৌরবাসীর ১০ ও ১১ অক্টোবর, মাঝগাঁওবাসীর ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর, জোয়াড়ীবাসীর ১৫ থেকে ১৮ অক্টোবর এবং বনপাড়া পৌরবাসীর ১৯ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ছবি তোলাসহ ভোটার নিবন্ধনের কাজ অব্যাহত থাকবে।
নিবন্ধন শেষে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে জানুয়ারিতে। প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী নতুন ভোটাররাও একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। এ পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষনে দেখা যায়, নগর ইউপিতে তথ্য ফরম পুরণ অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা যুক্ত হয়েছে বেশী ৭৫৪ জন। আবার মৃতের সংখ্যাও বেশী ৫৫৬ জন। উল্টো চিত্র দেখা গেছে চান্দাই ইউনিয়নে। সেখানে নতুনদের অন্তর্ভুক্তি যেমন কম মাত্র ৪০৮, তেমনি মৃত ভোটারও কম রয়েছে ৩০৪ জন। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি তাদের ভোটার করা হচ্ছে এ হালনাগাদে। উপজেলা নির্বাচন অফিসার ইছাহাক আলী সরকার জানান, ৯ আগস্টের পর থেকে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি না গেলেও বাদ পড়া ভোটার বছরের যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট উপজেলায় গিয়ে তথ্য দিয়ে ভোটার হতে পারবেন। চলমান হালনাগাদে তথ্য সংগ্রহ করার পর যেসব নিবন্ধন কেন্দ্রে কাজ হবে, সেখানে গিয়েও নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে। নির্বাচন কমিশন ২০১৫ সালের হালনাগাদে ১৫ বছর বয়সীদেরও তথ্য সংগ্রহ করেছিল। যারা ২০১৮ সালের ভোটার হওয়ার যোগ্য হচ্ছেন। তাদের নাম এ তালিকায় যুক্ত হবে সয়ংক্রিয়ভাবে। ২০১৫ ও ২০১৭ সালের তথ্য নিয়ে এবার অন্ততঃ ১৩ হাজার নাম যোগ হতে পারে ভোটার তালিকায়। আর ৩ হাজার ৭৬৯ মৃত ভোটারের নাম বিদ্যমান ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে।