২৫ জুলাই

আপডেট: July 25, 2020, 12:05 am

২৫ জুলাই ১৯৬৬ : বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে লিখেছেন, “শরীরটা খারাপ হয়ে চলেছে। বসে থাকার জন্যই বোধহয়। খুবই দূর্বল লাগে। আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালাতে জনগণকে অনুরোধ করেছে- যে পর্যন্ত ৬ দফা দাবি আদায় না হয়। যদিও শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে চলেছে আওয়ামী লীগ, তথাপি সরকার অত্যাচার করে চলেছে। গুলি হলো, গ্যাস মারল, শত শত কর্মীকে জেলে দিল, বিচারের নামে প্রহসন করল, কত লোক গুলি খেয়ে মারা গেছে কে তা বলতে পারে? সরকার নিজেই স্বীকার করেছে ১১ জন মারা গেছে ৭ই জুনের গুলিতে। ….ইংরেজ কত লোককে হত্যা করেছিল কিন্তু দাবাইয়া রাখতে পারে নাই। এই দেশে কত ছেলেকে ফাঁসি দিয়েছিল। অনেকেরই সে কথা মনে আছে – গোপীনাথ সাহা, নির্মল, জীবন ঘোষ, রামকৃষ্ণ রায়, ব্রজকিশোর চক্রবর্তী, ক্ষুদিরাম, সূর্য সেন, তারকেশ্বর আরও কত লোককে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছিল। তবু আন্দোলন দাবাতে পারে নাই। আন্দোলন আরও জোরে চলেছিল। আমরা যদিও সন্ত্রাসবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, তথাপি ইংরেজদের অত্যাচারের বিরুদ্ধেই শুরু হয়েছিল ঐ পথ। এমন দিন এসেছিল ইংরেজ সাহেবরা ঘর থেকে বের হতেও ভয় পেত।” [সূত্র : কারাগারের রোজনামচা – শেখ মুজিবুর রহমান, পৃষ্ঠা ১৮০]
২৫ জুলাই ১৯৭৩ : যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ রোজ টিটোর (মার্শাল টিটো) আমন্ত্রণে বঙ্গবন্ধু ৬ দিনের ফিরতি সফরে যুগোস্লাভিয়ায় যান। সফরে মার্শাল টিটো ন্যাম ও জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের ব্যাপারে পূর্ণ সমর্থন দেন।