২৫ বছর ভারতে পালিয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ

আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ গত ২৫ বছর ধরে ভারতে পালিয়ে ছিলেন। করোনাভাইরাস আতঙ্কে সেখান থেকে গত ২৬ মার্চ ময়মনসিংহের সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তিনি। দেশে ফেরার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৬ এপ্রিল) মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।
সিটিটিসি সূত্রে জানা গেছে, ভারতের কলকাতায় আবদুল মাজেদ নিজেকে আবদুল মজিদ পরিচয় নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে লিবিয়া ও পাকিস্তানে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে আবদুল মাজেদ প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে সিটিটিসি’র দায়িত্বশীল সূত্র। জানা গেছে, ভারত থেকে পালিয়ে তিনি প্রথমে যান লিবিয়ায়। সেখান থেকে আসেন পাকিস্তানে। লিবিয়া ও পাকিস্তানে সুবিধা করতে না পেরে আবারও ভারতে ফিরে আসেন। বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করার পর গত ৩-৪ বছর ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি।
দীর্ঘদিন কলকাতায় অবস্থান করার সময় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ তেমন কিছু করতেন না। বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগযোগ ছিল তার। করোনাভাইরাস আতঙ্কে গত ২৬ মার্চ ময়মনসিংহের সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরে আসেন তিনি। দেশে ফেরার পর মিরপুর ডিওএইচএস-এর এক নম্বর সড়কের ১০/এ বাসায় ওঠেন।
সিটিটিসির উপ-কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি, আবদুল মাজেদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এরপর আমাদের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।’
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন