৪ এপ্রিল

আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২০, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ

১৯৫৮ সালের ৪ এপ্রিল শেরে বাংলা কেএসপি পল্টনে জনসভা করে। এর আগের দিন হামিদুল হক চৌধুরী আওয়ামী লীগের উপর মামলা করে। সে মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও আসামী করা হয়।
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ রাজ বাহিনীর বাঙালি প্রবীণ এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন বাঙালি অভিজ্ঞ কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এম.এ.জি ওসমানী স্বাধীন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার সমস্ত বাংলাদেশি সেনাকে ওসমানীর অধীনে রাখেন। যিনি নিযুক্ত ছিলেন চার তারকা জেনারেল হিসাবে কমান্ডার ইন চিফের পদমর্যাদার প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
৪ এপ্রিল, ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দেশ শক্রমুক্ত হবার প্রায় সাড়ে চার মাসের মাথায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (আমেরিকা) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এক প্রেস বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্টের সেক্রেটারি উলিয়াম রজার এবং ঢাকাস্থ মূখ্য কর্মকর্তা হারবার্ট স্পিভেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট প্রদান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানের কথা জানান। বঙ্গবন্ধু হারবার্ট স্পিভেককে বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক পর্যায়ে সম্পর্ক স্থাপন করতে চাচ্ছে।
১৯৭৪ সালের ৪ এপ্রিল দলীয় কোন্দলের জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে কোহিনুরসহ ৭ ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রম ছিলেন তখন ঢাকার পুলিশ সুপার। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে তিনি দেখলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম প্রধান নিজে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। বিষয়টি তিনি (মাহাবুব উদ্দিন) তৎকালীন অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) ই এ চৌধুরীকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু তখন মস্কোতে চিকিৎসাধীন। বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ এই সহচর (মনসুর আলী) সাহসিকতার সঙ্গে পুরো পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন। সিনিয়র কেবিনেট কলিগের সঙ্গে পরামর্শ করে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের উদ্যোগ নেন তিনি।