৫ জুন

আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

৫ জুন ১৯৫৫ : শেখ মুজিবুর রহমান আইন পরিষদের সদস্য মনোনিত হন।
৫ জুন ১৯৬২ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পল্টন ময়দানে আয়োজিত এক সম্মেলনে আইয়ুব খানের তীব্র সমালোচনা করেন।
৫ জুন ১৯৬৪ : আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় শেখ মুজিব এগারো দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। অনেক আলোচনার পর প্রস্তাবগুলো গৃহীত হয়। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ছিল:
-পাকিস্তানের উভয় অংশে বৃহত্ত শিল্পকারখানা জাতীয়করণ;
– পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের লক্ষ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আলাদা মুদ্রাসহ পৃথক অর্থনীতি প্রণয়ন;
– বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব-নিকাশ ও আয়-ব্যয়ের পূর্ণ অধিকার প্রদেশের হাতে রাখা;
– পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপনসহ দেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে মিলিশিয়া বাহিনী তৈরি করা।
এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ একটি খসড়া ইশতেহার প্রকাশ করে। এই ইশতেহারই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের সব কর্মসূচি ও আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
৫ জুন, ১৯৬৬: বঙ্গবন্ধু কারাগারে ডায়রিতে লিখেছেন, “ঘুম থেকে উঠে বাইরে যেয়ে বসলাম। জমাদার এসেছেন। পাগলদের গোসল করান হচ্ছে, একটু এগিয়ে যেয়ে দেখি সব উলঙ্গ। একজনকে ধরে এনে এনে চৌবাচ্চার ভিতরে ঠেসে ধরছে। ভাল করে গোসল করায় ওদের। কতকাল যে ওরা এভাবে পড়ে আছে আর কতকাল থাকবে কে জানে। মাঝে মাঝে ভাল হয়, আবার মাঝে মধ্যে খারাপ হয় এবং পাগলামি করে। এদের কেহ আপনজনকে খুন করে এসেছে, কেহ বা পাগল হয়ে খুন করেছে। কেহ বা বাইরে পাগল হয়ে গেছে, পরিবারের লোকেরা সামলাতে না পেরে জেলখানায় দিয়ে গেছে। একবার জেলে এলে খুব কম লোকই ভাল হয়েছে। দুই একজন ভাল হলেও তাদের ছাড়তে এত দেরি করে ফেলে যে আবারও পাগল হয়ে যায়। এ খবরও আমি পেয়েছি। দুই একজন ভাল হয়ে বাইরেও চলে গিয়াছে, তবে বেশির ভাগ আজিমপুর কবরস্থানেই যেয়ে থাকে। একবার জেলের গল্প করতে করতে আমার একমাত্র সহধর্মিণীকে বলেছিলাম, “যদি কোনোদিন পাগল হয়ে যাই তবে পাগলা গারদে বা জেলের পাগলখানায় আমাকে দিও না।” … [সূত্র : কারাগারের রোজনামচা – শেখ মুজিবুর রহমান, পৃষ্ঠা নং – ৬৪-৬৭]
৫ জুন ১৯৭০ : পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচনী এলাকা বিষয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে ৩১০টি আসন আর জাতীয় পরিষদে ১৬৯টি আসন নির্দিষ্ট করা হয়। বঙ্গবন্ধু নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী এলাকা বিষয়ে চূড়ান্ত করার দাবি জানান ।