৭ খুনের আপিল দ্রুত নিষ্পত্তিতে পদক্ষেপ

আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০১৭, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলার রায়ের পর আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানির জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপার বুক প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।
বিচারিক আদালতে গত ১৬ জানুয়ারি এই মামলার রায় হয়। এতে ২৬ আসামির মৃত্যুদ- এবং নয় আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ-াদেশ হয়েছে।
যে কোনো মৃত্যুদ- অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাই কোর্টে আসে। এছাড়া আসামিরা আপিল করলে তার শুনানিও হয় হাই কোর্টে। পেপারবুকে মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র, জবানবন্দি, বিচারিক আদালতের রায় পর্যায়ক্রমে সাজানো থাকে। চাঞ্চল্যকর এই মামলার বিচারিক আদালতের রায়ের কপি ও নথিপত্র গত সপ্তাহে হাই কোর্টে আসে।
আসার পরপরই ডেথ রেফারেন্স হিসেবে তা নথিভুক্ত হয়েছে বলে জানান হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) মো. সাব্বির ফয়েজ।
তিনি রোববার সাংবাদিকদের বলেন, “আপিল শুনানির জন্য মামলার পেপারবুক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।”
সাত খুনের এই রায়ে সব আসামির শাস্তি বিচার বিভাগের উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়েছে বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।
দেশের বিচারাঙ্গনের শীর্ষ পদে নিজের দায়িত্ব নেওয়ার দুই বছর পূর্তিতে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “স্বল্পতম সময়ের মধ্যে উক্ত মামলার বিচার নিষ্পত্তি করায় দেশের আপামর জনগণের আস্থা বিচার বিভাগের প্রতি আরও বেড়েছে।”

২০১৩ সালের ২৭ এপ্রিল অপহরণ করে হত্যা করা হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে। এই হত্যাকা-ে র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের দেওয়া রায়ে রায়ে র‌্যাবের তৎকালীন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, এম এম রানা ও আরিফ হোসেনের মৃত্যুদ- হয়েছে।
মৃত্যুদ- হয়েছে নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন কাউন্সিলর নুর হোসেনেরও। তিনি হত্যাকা-ের পর পালিয়ে গেলেও ভারতে ধরা পড়ার পর ফেরত আনা হয়।
রায়ের পর নুর হোসেন ও তারেক সাঈদ দুজনের আইনজীবীই আপিল করবেন বলে জানিয়েছিলেন।- বিডিনিউজ