‘৭ শতাংশ ছাড়াবে প্রবৃদ্ধি’

আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০১৭, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


চলতি অর্থবছর শেষে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাময়িকীর অক্টোবর-ডিসেম্বর সংখ্যায় এই প্রক্ষেপণ প্রকাশিত হয়েছে।
ত্রৈমাসিক সাময়িকীতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার, দেশে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ, বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণের হার, বিদ্যুতের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমাদানি বৃদ্ধিসহ বেশকিছু চলকের সাপেক্ষে এই প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।
তবে শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দাবি করেন, চলতি বছরেই জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পূরণ হবে। একই রকম মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালও।
গত সপ্তাহে এক অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি বছরে বেসরকারি বিনিয়োগের হার জিডিপির ৩১ শতাংশ হবে। যার ওপর ভর করে চলতি অর্থবছরে সাড়ে ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।
এ ছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে ১০ হাজার কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আর বাস্তবায়নের এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরে এডিপি বাস্তবায়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ীই হবে বলে মনে করেন তিনি।
যদিও গত সপ্তাহে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এক পূর্বাভাসে বলেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। আর মূল্যস্ফীতি হবে ৬ দশমিক ১ শতাংশ।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর কারণে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়। রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়া, রপ্তানি আয় কমা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের জিডিপি কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয় এডিবি।
তবে জিডিপির এসব নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে পর্যাপ্ত কাজের সুযোগসহ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে এডিবির প্রতিবেদনে।- রাইজিংবিডি