আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতে নিলো বাংলাদেশের ২টি প্রকল্প

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার

সোনার দেশ ডেস্ক:


আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি প্রকল্প। বিশ্বব্যাপী স্থাপত্যের অন্যতম বৃহৎ পুরস্কার হিসেবে এটি পরিচিত। খন্দকার হাসিবুল কবির ও সুহেলি ফারজানার ঝিনাইদহের আর্বান রিভার স্পেসেস প্রকল্প এবং রিজভি হাসান, খাজা ফাতমি ও সাদবেন মোস্তফার রোহিঙ্গা রিফিউজি রেসপন্স প্রোগ্রামের কমিউনিটি স্পেস-এর নকশা পুরস্কার জয় করেছে। এবছর অন্যান্য দেশের আরও চারটি প্রকল্প জয়ী হয়েছে। আগাখান পুরস্কারের ১০ লাখ ডলার জয়ীরা ভাগ করে নেবেন।

আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপিতে জানানো হয়, এ বছর ওমানের রাজধানী মাসকাটে আগা খান সঙ্গীত পুরস্কারের সঙ্গে একযোগে এই পুরস্কার দেওয়া হবে।

আরবান রিভার স্পেসেস প্রকল্পে নবগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকা পরিষ্কার করে নদীতে অভিগম্যতা বাড়ানোর এই প্রকল্পটি আপাতদৃষ্টিতে সহজ ছিল। কিন্তু এর মাধ্যমেই স্থানীয় নির্মাণ কৌশল ও সহজলভ্য উপাদান ব্যবহার করে সুবিবেচনাপূর্ণ ও সাদামাটা প্রকল্পটি গড়ে তোলা হয়, যা স্থানীয়দের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য কমিউনিটি স্পেস প্রকল্পে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিভিন্ন জরুরি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দক্ষতা ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে রোহিঙ্গা রিফিউজি রেসপন্স প্রোগ্রামের ছয়টি অস্থায়ী কমিউনিটি স্পেস। বাংলাদেশের কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠির মাঝে আশ্রয় নেওয়া বিপুল পরিমাণ বাস্তুহারা রোহিঙ্গার প্রয়োজন তো বটেই, বিশেষ করে নারী ও মেয়ে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিশ্চিত করা হচ্ছে।

১৯৭৭ সালে আগা খান এই স্থাপত্য পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয় যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। এই পুরস্কারের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তাও গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ