চাঁপাইয়ে উপানুষ্ঠানিক শিখন কেন্দ্র পরিদর্শনে জেসী এমপি

আপডেট: মে ২৪, ২০২২, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঝরে পড়া আড়াই হাজার শিশু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়মুখী করা হয়েছে। সরকারের চতুর্থ এডুকেশন প্রকল্পের আওতায় তাদের অভিভাবকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে শিশু শিখন কেন্দ্রগুলো। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ছে বস্তি ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মধ্যে। সেই সঙ্গে ভাবনার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে তাদের অভিভাবকদের।

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ‘আউট অব স্কুল চিলড্রেন এডুকেশন’ কার্যক্রমের অধীন ও জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো’র সহযোগিতায় এবং চেতনা মানবিক উন্নয়ন সংস্থার তত্বাবধানে শিশুদের শিখন কেন্দ্রগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

আর এসব কার্যক্রম পরিদর্শন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম জেসী। মঙ্গলবার (২৪ পস) সকাল সাড়ে ১০টায় পৌর এলাকার বালিগ্রাম নতুনপাড়া এলাকার শিখন কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে শিক্ষার্থীরা এমপিকে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠে।

এসময় এমপি বলেন, একটি দেশের সর্বাপেক্ষা বড় সম্পদ হল সে দেশের মানব সম্পদ। মানব সম্পদই অন্যান্য সম্পদকে অর্থবহ করে তোলে। আর এ লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা খাতে নানামুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। ঝরে পড়া রোধ ও মান সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের মধ্যে শিক্ষকদের দক্ষতা ও মানোন্নয়নের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

সরকারের এই মহতী উদ্যোগ ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে নেওয়াই হচ্ছে এই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিনামূল্যে বইসহ সব ধরনের শিক্ষা উপকরণ দিয়েছে, যাতে কোন শিশু ঝরে পড়ে না যায়। এমনকি তাদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

এছাড়া বালবিয়ে রোধে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ নাজনীন ফাতেমা, কৃষিবিদ ড. সাইফুল ইসলাম, চেতনা মানবিক উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাফরুল আলম, কর্মসূচী প্রশিক্ষক জিল্লুর রহমান প্রমুখ। এর আগে তিনি সকাল পৌনে ১০টায় পৌর এলাকার জিয়ানগর শিখন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সদর উপজেলার ৮০টি শিখন কেন্দ্রে মোট ২৪০০ শিক্ষার্থী এই কর্মসূচীর আওতায় শিক্ষা লাভ করছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ