যথাযোগ্য মর্যাদায় নগরীতে পালিত হলো শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী

আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২১, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী নগরীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠন ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তবে আয়োজনগুলো করোনাকে কেন্দ্র করে সীমিত আকারে করা হয়েছে। সেইসাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মহানগর আওয়ামী লীগ :
নানান কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ দিবসটি পালন করে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকার।
সভায় এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্য পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ শেখ কামাল একজন মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন, ছিলেন একজন আদর্শিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। রাজনীতি ছাড়াও তিনি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো তখন শেখ কামাল মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ঘাতকের কাছে সপরিবারে নিহত হন।
দেশরতœ শেখ হাসিনার বক্তব্যের একটি প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যকান্ডের বিচারের যে রায় হয়েছে তা কার্যকর করার জন্য দাবি জানাচ্ছি এবং এই হত্যকান্ডের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক যে শক্তি কাজ করেছে তা অবিলম্বে চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানানো উচিত, শুধু এই কাজটি বাকি থেকে গেছে।
ডাবলু সরকার বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামাল ছিলেন একজন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল রাজনীতিতে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার করা হলে সে সময় শেখ কামাল অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁদের নাম বাংলাদেশের মানচিত্রের স্বর্ণাক্ষরে লেখা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, রেজাউল ইসলাম বাবুল, ডা. তবিবুর রহমান শেখ, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আহ্সানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, কৃষি সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, আইন সম্পাদক অ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডা. ফ ম আ জাহিদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক পংকজ দে, সদস্য শাহাব উদ্দিন, আতিকুর রহমান কালু, হাফিজুর রহমান বাবু, অ্যাড. রাশেদ-উন-নবী, বোয়ালিয়া (পশ্চিম) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মালিহা জামান মালা, ইপফাত আরা কামাল, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতুল্লাহ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সাকের হোসেন বাবু, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর মহিলা লীগ সাধারণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা মিতু, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজ, নগর সৈনিক লীগের আহ্বায়ক সুমন চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আইয়ুব আলী সহ নেতৃবৃন্দ।
জেলা আওয়ামী লীগ :
‘স্বাস্থ্য-সুরক্ষাবিধি অনুসরণপূর্বক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল-এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত’।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজশাহী নগরীর অলোকার মোড়স্থ মাষ্টারসেফ রেষ্টুরেন্ট হলরুমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাফফিল, শোকাবহ আগস্টের আগামী ৮,১৫,১৭ এবং ২১ আগস্টের কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব মেরাজ উদ্দিন মোল্লা এবং জেলাধীন মৃত্যুবরণকারী দলীয় নেতৃবৃন্দের জন্য শোক প্রস্তাব গ্রহণ সহ সাংগঠনিক ও বিবিধ বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্য দিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্য-সুরক্ষাবিধি অনুসরণপূর্বক রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার এবং সার্বিক সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা।
জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি মন্ডলীর মধ্য থেকে- আমানুল হাসান দুদু, এ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন, অধ্যক্ষ এস.এম একরামুল হক, আমজাদ হোসেন নবাব, মোঃ সাইফুল ইসলাম দুলাল, এ্যাড. শরিফুল ইসলাম শরিফ, মোঃ জাকিরুল ইসলাম সান্টু, মোঃ শরিফ খান এবং মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মন্ডলীর মধ্য থেকে-এ্যাড.লায়েব উদ্দিন লাবলু এবং অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান মানজাল। সাংগঠনিক সম্পাদক মন্ডলীর মধ্য থেকে-একেএম আসাদুজ্জামান, এ্যাড.মোঃ আব্দুস সামাদ এবং মোঃ আলফোর রহমান। কোষাধ্যক্ষ মোঃ আজিজুল আলম।
সম্পাদক মন্ডলীর মধ্য থেকে, দপ্তর সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড এজাজুল হক মানু, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডাঃ চিন্ময় কান্তি দাস, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ কুমার প্রতীক দাস রানা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেহবুব হাসান রাসেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রেজওয়ানুল হক পিনু মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ মোজাম্মেল হক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শহিদুল করিম শিবলী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দিন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মামুনুর রশিদ সরকার মাসুদ, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম মুক্তি, শ্রম সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহরাব হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাসুদ রানা।
সদস্যবৃন্দের মধ্য থেকে, জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার,প্রফেসর ডাঃ মোঃ মনসুর রহমান এমপি, নকিবুল ইসলাম নবাব, আ.ন.ম অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম তাজুল, সাইফুল ইসলাম বাদশা, মোঃ আক্কাস আলী, অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক, ফারুক হোসেন ডাবলু, জি.এম হীরা বাচ্চু, শরীফুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান রিন্টু, আবু বক্কর, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ শহিদুজ্জামান শহীদ, সরদার জান মোহাম্মদ, মোঃ খাদেমুন নবী চৌধুরী, এ.কে.এম শামসুল ইসলাম, প্রভাষক রোকসানা মেহবুব চপলা, মোসাঃ মর্জিনা পারভীন, এস.এম তৌহিদ আল হোসেন তুহিন, মোছাঃ নিলীমা বেগম, ডা. আনিকা ফারিয়া জামান অর্ণা এবং বদরুল ইসলাম তাপস।
জেলা যুবলীগ : শোকাবহ আগস্টের ৫ তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, রাজশাহী জেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় লক্ষীপুরস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিকাল ৩ টায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগ এর সভাপতি আবু সালেহ, সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আজম সেন্টু। সভায় শোকাবহ আগস্টের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রনয়ণ করা হয় এবং ৭ সেপ্টেম্বর প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম খালিদ ওয়াসি কেটুর স্মরণ সভা করার সিধান্ত গ্রহন করা হয়। পরবর্তীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জোষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২ তম জন্মদিনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলো সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, আলমগীর মোর্শেদ রঞ্জু, মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল, আরিফুল ইসলাম রাজা, আব্দুর রউফ, মোজাহিদ ইসলাম মানিক, তসিকুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন মিলন, মাসুম আল রশীদ, সামাউন ইসলাম, সেজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক রফিকুজ্জামান রফিক, দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান পল্লব এছাড়াও রাজশাহী জেলার সকল উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।
রাবিতে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন হয়েছে।এই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বাদ জোহর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যদের মধ্যে রুটিন দায়িত্বে নিযুক্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. আবদুস সালাম, ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর, জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক ড. মো. আজিজুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর মো. লিয়াকত আলী, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আছাদুজ্জামানসহ বিশিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও মুসল্লীগণ অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, শেখ কামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকা-ে বঙ্গবন্ধুর সাথে সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন।
রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থা
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪ টায় রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও ফুটবল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মো. মাহাফুজুল আলম লোটন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, আরএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক, জেলা ক্রিয়া সংস্থার সহ-সভাপতি মো. ডাবলু সরকার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াহেদুন নবী (অনু) প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল জানান, আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। স্বল্পায়ু, কিন্তু দারুণ সৃষ্টিক্ষম আলোমুখী এক প্রাণ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞে শহিদ হওয়ার আগে দেশের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল তাঁর দৃপ্ত পদচারণা। অতুলনীয় সাংগঠনিক দক্ষতায় রেখে গেছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা। সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল শেখ কামাল যুবসমাজের জন্য অনুসরণীয় চরিত্র।
তিনি আরো জানান, বহুমাত্রিক অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক শেখ কামাল ছিলেন ‘তারুণ্যের অহংকার’। শৈশব থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় প্রচ- উৎসাহ ছিল তার। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
তিনি আরও জানান, শহিদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে ফুটবল খেলা আয়োজন করা হয়।