বিশ্বের বৃহত্তম কচ্ছপের প্রজনন বিজ্ঞানে নজর জিওলজিক্যাল সার্ভের, সুমারি শুরু আন্দামানে

আপডেট: মে ২, ২০২২, ৯:০৬ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক:


প্রজননরত লেদারব্যাক সামুদ্রিক কচ্ছপের সংখ্যার উপর নজর রাখা শুরু করল জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। আন্দামান ও নিকোবর আঞ্চলিক কেন্দ্র সমীক্ষা শুরু হয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য, লেদারব্যাক কচ্ছপের প্রজনন সংক্রান্ত বিজ্ঞান এবং এর সঙ্গে জড়িত পরিবেশতত্ত্ব সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা, ডিম, কচ্ছপ ছানা এবং পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী কচ্ছপের আকৃতি সম্পর্কে সমীক্ষা চালানো। এ ছাড়াও এদের বাসা বাঁধার আচার-আচরণের উপরও নজর রাখা হচ্ছে এই গবেষণায়।
প্রজননের সময়ে ডিম এবং পরিণত বয়স্কদের পরিমাপ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে আপাতত ১৫২টি লেদারব্যাক সামুদ্রিক কচ্ছপকে ট্যাগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেডএসআই-এর অধিকর্তা ড. ধৃতি বন্দ্যোপাধ্যায়।
পোর্টব্লেয়ারে আন্দামান-নিকোবর আঞ্চলিক কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. চন্দ্রকাসন শিবাপেরুমনের কথায়, ”গত চার বছরে বাসার সংখ্যা, ডিম পাড়ার সংখ্যা এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হওয়ার সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।” ২০১৮-২০১৯ সালে ডিম ফুটে বাচ্চা হওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২১ শতাংশ। সেখানে ২০১৯-২০২০-র মধ্যে এই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭ শতাংশ।
কচ্ছপের মধ্যে লেদারব্যাকই হল বৃহত্তম। দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় এই ধরনের কচ্ছপ একসঙ্গে অনেক দেখা যায়। মূলত গ্রেট নিকোবরের পশ্চিম উপকূলে ডাগমার এবং আলেকজান্দেরা নদীর মুখে এবং দক্ষিণ-পূর্ব উপসাগর বরাবর গ্যালাথিয়া বে’র মুখে এই কচ্ছপের আনাগোনা লক্ষ করা গিয়েছে। গ্যালাথিয়া সৈকতে ২৫৫টি বাসা নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। দেখা গিয়েছে, বিগত তিনটি প্রজননকালে গড়ে ৪৫০টি বাসা চোখে পড়েছে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন