সিএনজি-অটোয় পাশাপাশি যাত্রী || বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি

আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২০, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


এমনই ঠাসাঠাসি করে অটোরিকশায় যাত্রী পরিবহণ করা হচ্ছে-সোনার দেশ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হচ্ছে প্রতিনিয়তই। যানবাহনে পাশাপাশি বসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে, সরকার, প্রশাসন, চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে। তার পরেও মানছেন না অনেকেই। সড়কে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, সিএনজিতে যাত্রীদের পাশাপাশি বসে যাতায়াত করতে দেখা গেছে।
যদিও নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ এই ধরনের যাত্রীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দিচ্ছেন। তার পরেও সড়কে অহরহ দেখা যাচ্ছে এক দৃশ্য। পুলিশ বলছেন, মোটরসাইকেলে বা অটোতে দুজন চড়ার বিষয়ে পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
দেখা গেছে, প্রায় মোটরসাইকেলে দুজর আরোহী থাকছেন। দু’জনের মধ্যে যে দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে তারা মানা হচ্ছে না। আর মোটরসাইকেলে সেটা সম্ভবও নয়। এছাড়া অটোরিকশা ও সিএনজিতে যাত্রি পরিবহণে একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অটোরিকশায় পেছনের সিটে মুখোমুখি হয়ে চারজন ও চালকের পাশে একজন যাত্রী থাকছে। এছাড়া সিএনজিগুলোতে চলেকের দু’পাশে দু’জন। পেছনের সিটে তিনজন ও পরের সিটে মুখোমুখি আরো দু’জন করে চরজন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নগরীর গৌরহাঙ্গা রেলগেটের নওগাঁ স্ট্যান্ডে সিএনজির এমন চিত্র দেখা যায়। চালকরা বলছেন, পেটের দায়ে বাইরে বের হয়েছি। সড়কে যাত্রী নেই। গ্যাসের (সিএনজি) টাকা তোলা দায় হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই চালক বলেন, দূরের ভাড়া নিয়ে যায়। দুই একজন হলে তো সিএনজির টাকা উঠবে না।
রাজু নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, কিস্তিতে (ঋণ) এই অটো কেনা। কিস্তির টাকা না লাগলেও পেটে তো খাবার দিতেই হবে। নিরুপায় হয়ে সড়কে বের হতে হয়েছে। তার উপরে আবার যাত্রী নেই। সবমিলে কষ্টে দিন যাচ্ছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, মোটরসাইকেলে চালকের বেশি আরোহী চড়তে পারবে না। এছাড়া অটোরিকশায় দু’জন চড়াতে পারবেন একই পরিবারের হলে। তবে বিভিন্ন পরিবারের হলে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকারের জনসমাগমে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। সচেতনতায় করা হচ্ছে মাইকিংও।