সোনামসজিদ স্থলবন্দরে বেড়েছে ভারতীয় চাল আমদানি ।। এক সপ্তার মধ্যে দেশের বাজারে দাম কমার সম্ভাবনা

আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৭, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস


আমদানি শুল্ক হ্রাস পাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় চাল আমদানি বেড়েছে। ঈদের ছুটি শেষে বন্দর চালু হওয়ার পর থেকেই বিপুল পরিমাণে আমদানি করা হচ্ছে ভারতীয় চাল। শুল্ক কমার কারণে দেশি চালের চেয়ে আমদানি করা ভারতীয় চালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে। এভাবে চাল আসলে এক সপ্তার মধ্যেই দেশের বাজারে চালের দাম কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর গত রোববার থেকে বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়। ঈদের আগে চাল আমদানিতে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করে সরকার। যার প্রভাবে আগের চেয়ে চাল আমদানি বেড়েছে। বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাজারে মোটা চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতে মোটা চালের দাম ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি। তাই লাভজনক হওয়ায় ভারত থেকে চাল আমদানি করছেন আমদানিকারকরা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে আসছে এসব চাল। বেশিরভাগ চাল আমদানি করছেন ঢাকার আমদানিকারকরা।
বন্দর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম জানান, আমদানি শুল্ক কমার পর গত দুই দিনে প্রায় অর্ধশতাধিক ট্রাক চাল এসেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ ট্রাক চাল বন্দরে আসছে। বাংলাদেশে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে চাল আমদানি বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুনুর রশিদ জানান, মাঝে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারো চাল আমদানি শুরু হয়েছে। দেশে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানিকারকরা ভারতীয় চাল আমদানি করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশিষ্ট চাল ব্যবসায়ী মেসার্স নবাব অটোরাইস মিলের চেয়ারম্যান আকবর হোসেন জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হাওর অঞ্চলে ধানের উৎপাদন ক্ষতি হওয়ায় দেশে চালের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে চাল আনতে শুরু করেছেন আমদানিকারকরা। এর ফলে দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ