আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২০, ৬:২৭ অপরাহ্ণ

১ এপ্রিল
১৯৫৮ সালের ১ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী হিসাবে আবু হোসেন সরকারের দায়িত্ব নেবার কথা থাকলেও তার পরিবর্তে মূখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান।
১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর সভাপতিত্বে কার্যকফর পরিষদের সভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল পাকিস্তাফন সেনারা ঢাকার জিনজিরাসহ আশপাশের শহরে ১০০০ এর ওপর পবসামরিক সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছিলো। ‘পাক হানাদারবাহিনীদের আক্রমণের সময় আমি এবং আনু দুইজনে যাই রামেন্দ্র মজুমদারের বাড়ি। সেখানে রামেন্দ্র মজুমদারের স্ত্রী ইলা বৌদির সঙ্গে দেখা। বাপ্পা মজুমদার তখন ইলা বৌদির গর্ভে। আমি আর আনু তাকে দুই পাশ থেকে ধরে ছোটার চেষ্টা করছি। পালাতে গিয়ে হারিয়ে গেল বারীন দার নয় বছরের মেয়ে মিতু। সেই ঘটনার পর বারীনদা মেয়ের অপেক্ষায় সেখানেই থেকে গেলেন।’’- মোফাজ্জল হোসেন চৌধূরী মায়ার লেখা থেকে।
১৯৭৩ সালের ১ এপ্রিল মালয়েশিয়া লন টেনিস সমিতির আমন্ত্রণে বঙ্গবন্ধুর সম্মতিতে মালয়েশিয়া জাতীয় লন টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের ৫ সদস্যের একটি দল মালয়েশিয়া গমন করে। এই সফরটি ছিল বাংলাদেশের লন টেনিস দলের প্রথম বিদেশ সফর।
বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক বিদেশি সাংবাদিক সিরিল ডান বলেছেন, ‘বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে শেখ মুজিবই একমাত্র নেতা যিনি রক্তে, বর্ণে, ভাষায় কৃষ্টিতে এবং জন্মসূত্রেও ছিলেন খাঁটি বাঙালি। তাঁর দীর্ঘ শালপ্রাংশু দেহ, বজ্রকণ্ঠ, মানুষকে মন্ত্রমুগ্ধ করার বাগ্মিতা এবং জনগণকে নেতৃত্ব দানের আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও সাহস তাঁকে এ যুগের এক বিরল মহানায়কে রূপান্তর করেছে।’’ বস্তুত, তিনি আমেরিকান জর্জ ওয়াশিংটন, নব্য তুরস্কের জনক কামাল আতার্তুক, ভারতের মহাত্মা গান্ধী প্রমুখ ইতিহাসের মহানায়কদের সমতুল্য মর্যাদায় আসীন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ