ধামইরহাট বাঁশের সাঁকোয় যুগযুগ পারাপার

আপডেট: মে ১৩, ২০১৭, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

এমআর রকি, নওগাঁ


ধামইরহাটের এ বাঁশের সাঁকোয় যুগযুগ পারাপার হয়ে আসছে এ অঞ্চলের মানুষ

ধামইরহাট উপজেলার পশ্চিমে খেলনা ইউনিয়ন ও আলমপুর ইউনিয়নের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আত্রাই নদী। এক সময়ের খর¯্রােতা এই নদী এখন মৃত প্রায়। খরা মৌসুমে নদীতে চর জেগে ওঠে আর চরে চাষ হয় করলা, খিরা ও তরমুজ। প্রত্যেক বর্ষা মৌসুমে নদীর দুইকূল ভেঙে প্রসারিত হয়ে থাকে। নদীর পশ্চিমে ধামইরহাট উপজেলার দুইটি ইউনিয়ন অবস্থিত। খেলনা ইউনিয়ন ও আলমপুর ইউনিয়নের মাঝখানে রাঙ্গামাটি অংশে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলে লোকজনের পারাপার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর পশ্চিমে খেলনা, আগ্রাাদ্বিগুন ছাড়া পতœীতলা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর, শিহাড়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ তাদের প্রয়োজনে এই সাঁকোর উপর দিয়ে নদী পারাপার হয়ে থাকে। বর্ষাকালে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি  পেলে বেড়ে যায় ভোগান্তি, ব্যবহৃত হয় নৌকা। এই এলাকার মানুষকে হাট-বাজারে পণ্য আনা নেয়া করতে বড়ই বিপাকে পড়তে হয়। সেখানে একটি সেতু না থাকায় পন্য পরিবহনে ব্যাপক খরচ ও হয়রানীর শিকার হতে হয় এ এলাকার মানুষদের।
ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী আলী হোসেন জানান, জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করতে নওগাঁ-২ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকারের নির্দেশে ইতোমধ্যে সেতুর পয়েন্ট নির্ধারণ করে ২৫০ মিটারের সেতুর নকশা ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং একনেকের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। তিনি আরো জানান, ‘১শ মিটারের অধিক লম্বা সেতুর ক্ষেত্রে অধিক সমীক্ষার প্রয়োজন পড়ে’  আলমপুর ইউপি  চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ও খেলনা ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছালাম জানান,  সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। নিভৃত পল্লি এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হবে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহনে খরচ যেমন কম হবে তেমনি কৃষকরা তাদের পন্য উপযুক্ত মূল্যে শহর বাজারে বিক্রি করতে পারবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ