অতি ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি কৃষকদের
পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের বড়গাছি গ্রামে এগ্রোইকোলজি চর্চাকারী কৃষক কৃষানীরা রাসায়নিক সার ও কীটনাশকমুক্তভাবে উৎপাদন করা নিরাপদ কৃষি শস্য ফসল ও দেশী বীজ প্রদর্শন করে অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি জানায় কৃষকরা। এগ্রোইকোলজি, খাদ্য সার্বভৌমত্ব, জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে গ্রিন কোয়ালিশনের গ্রাসরুট নারীদের উদ্যোগে কমিউনিটি আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়েছে। সভায় নিরাপদ কৃষি চর্চাকারী ৩০ জন নারী ও পুরুষ কৃষক অংশহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গ্রিন কোয়ালিশন, উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক আয়েজিত এই সভায় কৃষকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার তৌহিদুল এর সঞ্চালনায় তারা বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে গ্রামে এখন পাখির সংখ্যা কমে গেছে। ফলে ফসলে পোকামাকড়ের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বিল ও কৃষিজমির পানি বারনই নদীতে মেশে এর ফলে নদীর দেশিয় মাছ কমে গেছে। বাংলাদেশ ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ১০০ জন ক্যন্সার রোগীর মধ্যে ৬৪ জনই কৃষক। এই কৃষকরা কৃষিকাজে দীর্ঘদিনধরে নানাভাবে রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহার করে আসছেন।
সভা থেকে স্থানীয় বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে ইউনিয়নভিত্তিক সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি, কমিউনিটি বীজ ব্যাংক সম্প্রসারণ, কৃষকের স্থানীয় জ্ঞান ও এগ্রোইকোলজি চর্চার স্বীকৃতি এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার ও অবাধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানানো হয়।