শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চাকরির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ আগস্ট ২০২৬ ০৯:২৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ আগস্ট ২০২৬ ০৯:২৮ অপরাহ্ন
ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চাকরির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চাকরীর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সোসাইটি অব বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া)। এছাড়াও বর্তমান বাজারমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সামঞ্জস্যপূর্ন বেতন কাঠামো, টিএ-ডিএ বৃদ্ধির জানানো হয়েছে। 


বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১ টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনে মহানগর ও জেলা ফারিয়ার আয়োজনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সহস্রাধিক প্রতিনিধি  অংশগ্রহণ করেন। 


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর ফারিয়ার সভাপতি শামস নয়ন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ফারিয়ার সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সমাবেশে স্বাগত  বক্তব্য রাখেন  রাজশাহী বিভাগ ফারিয়ার সভাপতি খাইরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ফারিয়ার স্থায়ী পরিষদ সদস্য আব্দুল্লাহেল বাকী, জামিউল হক সোহেল, কেন্দ্রীয় ফারিয়ার উপদেষ্টা আরিফুল ইসলাম রতন, প্যানেল সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী সবুজ, সিনিয়র সহসভাপতি নাজমুস সাকিব, রাজশাহী মহানগর ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আলম নয়ন ও রাজশাহী জেলা ফারিয়ার সিনিয়র সহসভাপতি আবু মাসুদ রানা প্রমুখ। 


সমাবেশে বক্তারা বলেন, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা এদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের এক অপরিহার্য এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, তাদের পেশাগত মর্যাদা ও তাদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বারবার ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। তারা স্পষ্ট করে বলেন, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক দক্ষ কারিগর। তাই এই পেশার রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি। 


সমাবেশ থেকে বিভিন্ন দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে আছে, কথায় কথায় চাকরি ছাঁটাই বন্ধ, বেতন কাঠামো নির্মাণ ও টিএ-ডিএ বৃদ্ধি, প্রতিনিধির জন্য নির্দিষ্ট ৮ ঘন্টা কর্মদিবস নিশ্চিত, শ্রম আইন অনুযায়ী ওভার টাইম, প্রেসক্রিপশন সার্ভে বন্ধ, ক্রেডিট কালেকশন বন্ধ, কোম্পানিতে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুয়িটি চালু, নিজ নিজ কোম্পানি থেকে লাইফ ইন্সুরেন্স করে দিতে হবে। এছাড়া ইনসেন্টিভ এর ক্ষেত্রে সকল প্যারামিটার বাতিল করে যার যার প্রাপ্য ইনসেন্টিভ তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে।