বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

নিজের হাতে গড়া দলের নাম ও প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা

সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
নিজের হাতে গড়া দলের নাম ও প্রতীক ফিরে পেতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা

তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। যা ‘অগণতান্ত্রিক’ বলেই সোচ্চার হয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। এবার কমিশনের ওই সিদ্ধান্তকে চ্য়ালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলার পথে মমতা ব্য়ানার্জি। যা নিশ্চিৎ করেছেন আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি।


জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলায় ঋতব্রত ব্যানার্জিকেও যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে কালীঘাটের। আগামী সপ্তাহেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে। 


সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি এখন বিবেচনাধীন। কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তের কতা জানিয়েছে। ফলে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলে শীর্ষ আদালত চূড়ান্ত নির্দেশের জন্য ফের তা কমিশনের কাছেই ফেরৎ পাঠায় কিনা সেদিকেও নজর থাকবে।  


বৃহস্পতিবারই নির্বাচন কমিশন ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও তার জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ করে দেয়। ফলে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতাপন্থী তৃণমূল ও বিদ্রোহী ঋতব্রত শিবির কেউই এই ঘাসফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। বদলে দুই শিবিরকে শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে তিনটি করে নাম ও প্রতীক জানাতে বলেছিল কমিশন।


দুই শিবিরের পাঠানো সম্ভাব্য নাম ও প্রতীক থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন মমতাপন্থীদের জন্য ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসে’ নাম ও ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীকটি নির্ধারণ করে। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের জন্য বরাদ্দ হয় ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘খাম’ প্রতীকক। এই নাম ও প্রতীকগুল দুই শিবিরই আসন্ন উপনির্বাচনে ব্যবহার করতে পারবে।


এর মধ্যেই নন্দীগ্রামের মমতাপন্থী প্রার্থী নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেনন। শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করেন, তাঁরা নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবেন। যদিও, সেই ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরনো একটি খুনের মামলায় কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যার বিরুদ্ধে সরব মমতা। দুষেছেন বিজেপির ‘প্রতিহিংসা’র রাজনীতিকে।


তথ্যসূত্র: আজকাল অনলাইন