সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮

সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০২:৩৯ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০২:৩৯ অপরাহ্ন
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে প্রাণঘাতী হামলায় ধ্বংস হওয়া এক পিকআপের পাশ দিয়ে যাচ্ছে একটি যাত্রীবাহী বাস। ফাইল ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন, যাদের সরকারি ভাষ্যে ‘সন্ত্রাসী’ বলা হয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বেলুচিস্তানের কোয়েটা, নুশকি ও খুজদার জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো তিনটি অভিযানে আটজন ‘ভারত সমর্থিত সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছেন।


পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর এই গণমাধ্যম শাখার তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা সূত্রে ‘ভারতীয় ছায়া বাহিনী ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সন্ত্রাসীদের’ উপস্থিতির খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ১৭ অক্টোবর এসব অভিযান পরিচালনা করে।


ওই গণমাধ্যম শাখার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “১৭ অক্টোবর, কোয়েটা জেলার পাঞ্জপাই এলাকায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যে সড়ক অবরোধের চেষ্টাকালে নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের বাধা দেয়। এ সময় ভারত সমর্থিত পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়।”


এই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নুশকি জেলায় তল্লাশি অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী ‘সন্ত্রাসীদের’ একটি আস্তানা খুঁজে পাওয়ার পর দুপক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। এতে ‘ভারত সমর্থিত দুই সন্ত্রাসী’ নিহত হয়।


অভিযানে নিহতদের আস্তানা থেকে অস্ত্র ও গোলাগুলি উদ্ধারের কথাও জানিয়েছেন আইএসপিআর।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেছে, “গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে খুজদার জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের একটি আস্তানায় আঘাত হানে। এতে ভারত সমর্থিত এক সন্ত্রাসী নিহত হয়।”


এ সময় আস্তানাটি থেকে ৪৯০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে তারা।

আইএসপিআর জানিয়েছে, ওই এলাকায় ‘ভারতীয় মদদপুষ্ট আরও সন্ত্রাসী’ থাকতে পারে সম্ভাবনায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ‘আজম ই ইস্তেকহাম’ পরিকল্পনা অংশ হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ‘পূর্ণ গতিতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ চালিয়ে যাবে।


জিও নিউজ জানিয়েছে, ২০২১ সালে প্রতিবেশী আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে দেশটির সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের প্রদেশে খাইবার পাখতুনখওয়া ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এরমধ্যে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানে ১২ বছরের মধ্যে একমাসে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে।


তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ