বগুড়ার সাত আসনে জামানত হারালো ২০ প্রার্থী
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারালেন। নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম অংশ (এক-অষ্টমাংশ) না পাওয়ায় এসব প্রার্থী এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের এ বি এম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি প্রতীক) ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন। অথচ এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৩টি। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফেরাতে তার প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজারেরও বেশি ভোট। এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহও (৪৩৪ ভোট) জামানত হারিয়েছেন।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার তাঁদের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনেও একই ভাগ্য বরণ করেছেন জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলী।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ৪ লাখ ৯ হাজার ১৯৫টি ভোট পড়লেও এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবি’র শিপন কুমার রবিদাস ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের একমাত্র নারী প্রার্থী দিলরুবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলাম।
বগুড়া জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতিন বলেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ২০ প্রার্থী তাঁদের জামানতের টাকা আর ফেরত পাবেন না।