পুঁথিপাঠ গীত লোকসঙ্গীতের মুর্ছনায় ঈশ্বরদীতে বর্ষবরণের আয়োজন
পুরনো দিনের হারিয়ে যাওয়া পুঁথিপাঠ, আগের দিনের বিয়ে-সাদীর অনুষ্ঠানে দল বেঁধে নারীদের গাওয়া গীত, বাংলার ঐতিহ্য লোকসঙ্গীত, লোকনৃত্য, আধুনিক গান ও নৃত্যসহ বাঙালির শেকড়ের পুরনো সব আয়োজনে পাবনার ঈশ্বরদীতে উৎযাপিত হয়েছে বাংলা বর্ষবরণ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিনব্যাপী উপজেলার রূপপুর প্রকল্পের পাশ্ববর্তী স্বর্ণকলি বিদ্যাসদনের উদ্যোগে এক হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ব্যাতিক্রমী এ অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। বর্ষবরণের এ আয়োজনে গ্রামের প্রবীণ নারীদের বিয়ের গীত গাওয়া ও পুঁথিপাঠ শুনে ৫ শতাধিক শিশু ও তাদের অভিভাবকরা আনন্দে আপ্লুত হয়।
এ আয়োজনের আয়োজক স্বর্ণকলি বিদ্যাসদনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মনিরুল ইসলাম বাবু বলেন, আমাদের সংস্কৃতি থকে হারিয়ে যাওয়া পুঁথিপাঠ ও গীত সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের শিশুদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলা বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে এ ধরনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাউল, লোকসঙ্গীত ও লোকনৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাংলার ঐতিহ্যগত সংস্কৃতির ধারা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে কলেজ শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ, আখতার হোসেন, সাংবাদিক সেলিম সরদার, ব্যবসায়ী শাহরিয়ার কবীর শাকিল, দূর্জয় ইসলাম লিমন প্রমুখ বক্তব্য দন। চিত্রশিল্পী তানহা ইসলাম শিমুল অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। স্বর্ণকলির অধ্যক্ষ সামসুন্নাহার লিপি এ আয়োজনের সমন্বয় করেন। এসময় শিক্ষক শারমিন সুলতানা, শিউলি খাতুন, পারভিন আক্তার, সায়োন্ত সুরভী উর্মি, জান্নাতুল ফেরদৌসসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ সামসুন্নাহার লিপি বলেন, বাংলার পুরনো সংস্কৃতির সঙ্গে শিশুদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ব্যাতিক্রমী আয়োজন করা হয়। লেখাপড়ার একঘেঁয়েমি দুর করাও ছিল আয়োজনের লক্ষ্য।