শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

রাণীনগরের ২১৬১৪ জন শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

নওগাঁ প্রতিনিধি: ২৭ জুন ২০২৬ ১২:১৫ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নওগাঁ প্রতিনিধি: ২৭ জুন ২০২৬ ১২:১৫ অপরাহ্ন
রাণীনগরের ২১৬১৪ জন শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

“ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে আগামী ২৮ জুন (রবিবার) সারা দেশের নির্দিষ্ট বয়সের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সেই ক্যাম্পেইনে নওগাঁর রাণীনগরের ১২-৫৯ মাস বয়সী ১৯৪৫৩ জন শিশুকে লাল ও ৬-১১মাস বয়সী শিশুদের নীল রং-এর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। 

ইতোমধ্যেই জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খাঁন অংকুর।  

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খাঁন অংকুর জানান ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ১৯২টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ও ১টি স্থায়ী কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের সকল ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিনামূল্যে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া যদি কোন শিশু বাদ পড়ে যায় তাহলে অভিভাবকরা স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে এই ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন।

যেহেতু একটি ক্যাপসুল শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা, স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেহেতু শিশুকে এই ক্যাপসুল গুরুত্বসহকারে খাওয়ানোর বিষয়ে প্রতিটি অভিভাবককে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান জানান ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শুধু রাতকানা রোগকে প্রতিরোধ করে না এটি শিশুদের হামরুবেলা রোগকেও প্রতিরোধ করে। তাই সরকার দেশের শিশুদের রাতকানা, হামরুবেলা ও অন্যান্য রোগ থেকে বাঁচাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সরকারের সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করার লক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার মাধ্যমে ইতোমধ্যই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এ

ছাড়া প্রচার-প্রচারণার কাজও চলমান রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট বয়সের একটি শিশুও যেন ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে সেই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বদ্ধ পরিকর। উপজেলার সকল অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার আশা ব্যক্ত করেন এই কর্মকর্তা।