বিএমডিএর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
সরকার ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন (সচিব পদমর্যাদা)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি (অতিরিক্ত সচিব)।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, সরকারের গৃহীত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপিত গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ মাটির ক্ষয়রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্য অর্জনে বিএমডিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণকে সক্রিয়ভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএমডিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মো. আবুল কাসেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নাজিরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল লতিফ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম মাহফুজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জিন্নুরাইন খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শিবির আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সমসের আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী ও সচিব মো. এনামুল কাদির, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
বিএমডিএ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় বিভিন্ন জোন ও রিজিয়নের মাধ্যমে আগামী দুই বছরে প্রায় তিন কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
কর্মসূচি শেষে দেশবাসীর কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।