নগরীতে নারীসহ ৭ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কাশিয়াডাঙ্গা থানার কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ি, বোয়ালিয়া ও শাহমখদুম থানা পুলিশ পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা ও দেশীয় চোলাইমদ উদ্ধার এবং মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ অর্থ জব্দ করা হয়। এ সময় নারীসহ মোট ৭ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, বোয়ালিয়া থানার পাঠানপাড়া গ্রামের মোঃ আজাদ আলীর ছেলে মোঃ রুহুল আমিন ওরফে টগর (৪৯) ও তাঁর স্ত্রী মৃত জয়নাল আবেদীনের মেয়ে মোছাঃ রিতা বেগম (৩৯); বোয়ালিয়া থানার দরগাপাড়া গ্রামের মোঃ হামীম হোসেনের ছেলে মোঃ তাহামীম হোসেন ওরফে মীম (২৭); কাশিয়াডাঙ্গা থানার হাড়ুপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মোঃ বিপ্লব হোসেন (৩১); বোয়ালিয়া থানার কয়েরদাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে ও আরমানের স্ত্রী শাহানাজ (৫০); একই থানা এলাকার নাদিমের মেয়ে ও সাদ্দামের স্ত্রী নাইমা (২৭) এবং শাহমখদুম থানার মহলদারপাড়া গ্রামের কুবাদ আলীর ছেলে মোঃ ইসলাম (৫৬)। সকলেই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
শনিবার (০৪ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে বোয়ালিয়া থানার পাঠানপাড়া এলাকা থেকে মোঃ রুহুল আমিন ওরফে টগর, মোছাঃ রিতা বেগম এবং মোঃ তাহামীম হোসেন ওরফে মীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার হাড়ুপুর এলাকা থেকে মোঃ বিপ্লব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ০৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে বোয়ালিয়া থানার কয়েরদাড়া এলাকা থেকে শাহানাজ ও নাইমাকে এবং একই দিন রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে শাহমখদুম থানার নওদাপাড়া এলাকা থেকে মোঃ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেহ তল্লাশি করে মোট ২ গ্রাম হেরোইন, ৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও ২৫০ মিলিলিটার দেশীয় চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রয়লব্ধ নগদ ৯ হাজার ১শ ৬০ টাকা জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত টগরের বিরুদ্ধে আরএমপি’র বোয়ালিয়া থানায় ১৫টি, রাজপাড়া থানায় ২টি (১টি মাদক ও ১টি পেনাল কোড) এবং নওগাঁর নিয়ামতপুর থানায় ১টি পেনাল কোড মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া রিতার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় ৭টি মাদক মামলা এবং নিয়ামতপুর থানায় ১টি পেনাল কোড মামলা চলমান। অপরদিকে তাহামীমের বিরুদ্ধে আরএমপির বোয়ালিয়া ও কাশিয়াডাঙ্গা থানায় পৃথক ২টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।