শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৪ জনের

পাবনা প্রতিনিধি ১৬ জুলাই ২০২৬ ১০:০৬ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
পাবনা প্রতিনিধি ১৬ জুলাই ২০২৬ ১০:০৬ অপরাহ্ন
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৪ জনের

পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

নিহতরা হলেন, সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মৃত দানেজ প্রামানিকের ছেলে ছলিম প্রামানিক (৬৫), তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭), গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে নাফিস (৭) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর শহরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু কেয়া খাতুনের মরদেহ নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স সাঁথিয়া উপজেলার নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় স্বজনরা। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার  সড়াডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্স চালক রাজ শেখ এবং মরদেহের সঙ্গে থাকা শিশু কেয়ার নানী বুলু খাতুন নিহত হন। এ সময় আরো চারজন গুরুতর আহত হয়। 

খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেইসঙ্গে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। 

এ ঘটনায় আহত দুইজন ছলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) কে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরে গুরুতর আহত ছলিম প্রামানিক ও শিশু ছলিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী নেবার পথে নাটোরে পৌঁছার পর বেলা ১১টার দিকে ছলিম প্রামানিক মরা যায়। আর শিশু নাফিস (৭) কে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর বিকেল তিনটার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।