১৫৫ বছরে রাজশাহী এসোসিয়েশন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান
রাজশাহীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে ১৫৫ বছর ধরে জড়িয়ে আছে রাজশাহী এসোসিয়েশন। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা প্রাচীন এই সংগঠনটি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের সামাজিক পরিবর্তন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এই দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে স্মরণ করে রাজশাহী এসোসিয়েশনের ১৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংগঠনের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজশাহী এসোসিয়েশনের সভাকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মোহা. সবুর আলী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী এসোসিয়েশন শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি রাজশাহীর দীর্ঘ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ১৫৫ বছর ধরে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সংগঠনটি মানুষের কল্যাণ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে নতুন প্রজন্মকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।
আলোচক হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেরিটেজ রাজশাহীর সভাপতি মাহবুব সিদ্দিকী।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- এসোসিয়েশনের এডহক কমিটির সদস্য সচিব ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাসেন আলী, আজীবন সদস্য লিয়াকত আলী, আজীবন সদস্য আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরী, এডহক কমিটির সদস্য এসএম রেজাউল ইসলাম ও ড. সাবরিনা আনাম। বক্তারা বলেন, রাজশাহী এসোসিয়েশনের দীর্ঘ পথচলা এ অঞ্চলের মানুষের ঐক্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতিফলন। সময়ের সঙ্গে সমাজ ও মানুষের প্রয়োজন পরিবর্তিত হলেও সংগঠনটির মূল লক্ষ্য ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। রাজশাহীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশ এবং তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে এসোসিয়েশন আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আরো উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, রাজশাহী বার এসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাড. আবুল কাশেম, রেডার সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম, উপন্যাসিক মঈন শেখ, অ্যাড রজব আলী, নতুন প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক সোহেল মাহবুব।