শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাবা-ছেলের পরিবারের পাশে পবা উপজেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক ৩০ জুলাই ২০২৬ ০১:১১ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ৩০ জুলাই ২০২৬ ০১:১১ অপরাহ্ন
পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাবা-ছেলের পরিবারের পাশে পবা উপজেলা প্রশাসন

পদ্মায় ডুবে যাওয়া আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুলের পরিবারের পাশে সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে পবা উপজেলা প্রশাসন।


বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া পরিবারের বাড়িতে ছুটে যান পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইবনুল আবেদীন। জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলনের নির্দেশনায় তিনি ডুবে যাওয়া স্বজনদের হাতে নগদ অর্থ, চাল, ডাল, তেল, লবণসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। একই সঙ্গে নৌকাডুবি থেকে প্রাণে বেঁচে ফেরা ছয়জন শ্রমজীবী ব্যক্তিকেও সহায়তার আওতায় আনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল ইসলাম। 


সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে আফছার মাঝির স্ত্রী জাহেরা বেগম বলেন, এই দুঃসময়ে উপজেলা প্রশাসন আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমার নাতি-নাতনির লেখাপড়ার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আল্লাহ তাঁদের উত্তম প্রতিদান দিন।”


পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, জিয়ারুলের সন্তানদের লেখাপড়া যাতে কোনোভাবেই বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 


ইউএনও আরও বলেন, যেকোনো প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন তাদের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে নিখোঁজদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে কাজ করা হবে।


উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকার পদ্মা নদীর মাঝামাঝি স্থানে ঝাউগাছ বোঝাই একটি নৌকা প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। চর মাজারদিয়া থেকে ফেরার পথে নৌকাটিতে আটজন শ্রমজীবী ব্যক্তি ছিলেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও প্রবল স্রোতে তলিয়ে যান মাঝি আফছার আলী ও তাঁর ছেলে জিয়ারুল। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তাদের সন্ধান মেলেনি।#