শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে শোভাযাত্রা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ০৯ আগস্ট ২০২৬ ১০:০১ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ০৯ আগস্ট ২০২৬ ১০:০১ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে শোভাযাত্রা

‘আদিবাসী ধাত্রীদের সম্মাননা: জীবন ও সুস্থতা সুরক্ষায় তাঁদের অবদান’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে সরকারের কাছে সাত দফা দাবি তুলে ধরেছেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ।


রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম  চাঁপাইনবাবগঞ্জের আয়োজনে এবং এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও এনএজিআর (ন্যাশনাল এজেন্সী ফর গ্রিন রিভ্যুলেশন) সংস্থার সহযোগিতায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে উদয়ন মোড়, নিউমার্কেট, সেন্টু মার্কেট ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় (ডিসি অফিস) চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের সেক্রেটারি ও সদর উপজেলার পারগানার সভাপতি কর্নেলিয়াস মুরমু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের তথ্য, যোগাযোগ ও প্রচার সম্পাদক প্রদীপ হেমব্রম।


সমাবেশে বক্তব্য দেন সমাজ উন্নয়ন কর্মী নিকোলাস মুরমু, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের তথ্য, যোগাযোগ ও প্রচার সম্পাদক প্রদীপ হেমব্রম, কোল আদিবাসী নেত্রী কল্পনা মুরমু, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মনিকা সরেন, শিক্ষক আলবেরিকুশ মুরমু এবং আদিবাসী যুব নেতা সিপানুয়েল হেমব্রম প্রমুখ 


সমাবেশে বক্তারা বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষা ভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পাশাপাশি নিজস্ব মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ না থাকায় আদিবাসী শিশুরাও পিছিয়ে পড়ছে।


বক্তারা আরও বলেন  ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে নয়, বরং এ দেশে দীর্ঘকাল ধরে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি চান। বিশেষ করে সমতলের আদিবাসীদের ভূমি সমস্যা সমাধান ও ঐতিহ্যগত ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।


কর্মসূচিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্য ও প্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।