শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

দাখিলে ধস, পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

সোনার দেশ ডেস্ক ১০ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ১০ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ন
দাখিলে ধস, পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ
ফাইল ছবি

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মাদরাসাবোর্ডের ফলাফলে বড়ো ধ্বস নেমেছে। এবছর পাসের হার মাত্র ৫৫.৪৯ শতাংশ।

জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ পরীক্ষার্থী।

গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ।

সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ পরীক্ষার্থী।

সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।

গতবছর মাদরাসা বোর্ডে শূন্য পাশ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৮৬টি এবছর তা বেড়ে ২২৬ টি হয়েছে। 


ফলাফল অনুযায়ী, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল এ বছর প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। ২০২৫ সালে যেখানে পাশের হার ছিল ৬৮.০৯ শতাংশ, তা এবছর কমে দাড়িয়েছে ৫৫.৪৯ শতাংশে। 

২০২৪ সালেও মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল ছিল ৭৯.৬৬  শতাংশ। তার আগের বছর ২০২৩ সালে ৭৪.৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। 


চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী।


সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টায় সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনসহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৯ জন।


এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আগের ১৬২২২ নম্বরের পাশাপাশি নতুন ১৬১৪০ নম্বরেও এসএমএস পাঠানো যাবে।


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ