বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

নজিরবিহীন, ট্রাম্পকে বয়কট মার্কিন টিভি চ্যানেলগুলোর

সোনার দেশ ডেস্ক ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৫ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৫ অপরাহ্ন
নজিরবিহীন, ট্রাম্পকে বয়কট মার্কিন টিভি চ্যানেলগুলোর

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সংঘাতে নয়া মোড়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বেনজির বিদ্রোহ ঘোষণা করল মার্কিন শীর্ষ টিভি নেটওয়ার্কগুলো। হোয়াইট হাউসে প্রবেশে তিনটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় প্রেসিডেন্টকে বয়কটের পথ বেছে নিয়েছে সেদেশের সব সংবাদমাধ্যম। সোমবার হোয়াইট হাউসের সমস্ত টিভি কভারেজ পুরোপুরি বয়কট করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পাঁচ ব্রডকাস্টার।


শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিএনএন, এমএস নাও এবং পোলিটিকো-র সাংবাদিকদের প্রেস পাস বাতিল করে দেন। ফলে এই তিন সংস্থার সাংবাদিকের হোয়াইট হাউসে ঢোকা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। আগে কোনও ধরনের নোটিস ছাড়াই ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে শোরগোল পড়ে যায়। এরপর শনিবার ওই তিন সংস্থার সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউস থেকে বের করে দেওয়া হয়। 


কেন এমন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? সিএনএন, এমএস নাও এবং পোলিটিকো কর্তৃপক্ষের দাবি- ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে খবর না করাতেই ওই তিন সংস্থার উপর ক্ষুব্ধ তিনি। ফলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে। কিন্তু তা সম্পূর্ণ আইন বিরুদ্ধে।


প্রেসিডেন্টের নির্দেশে হোয়াইট হাউসের আচরণের প্রতিবাদে সোমবার ঐতিহাসিক পাল্টা পদক্ষেপ করে সংবাদ মাধ্যমগুলো। সিবিএস , এবিসি, এনবিসি, ফক্স নিউজ এবং সিএনএন যৌথভাবে ঘোষণা করে যে, তারা হোয়াইট হাউসের কোনও ‘পুল’ কভারেজ (যেখানে একটিই সংস্থা সকলের জন্য শুটিং করে) করবে না। ফলে নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে আসা রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কোনও টিভি সম্প্রচার হয়নি।


ট্রাম্প প্রশাসনের সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে সিএনএন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, মার্কিন সংবিধানে বিদ্যমান বাক্‌স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।


ক্ষোভের আঁচ দেখেই প্রতিআক্রমণে প্রেসিডেন্টও। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ মিডিয়াকে ক্যানসারের সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নন, কিন্তু ‘ভুয়ো খবর’ আমেরিকা জুড়ে ক্যানসারের মতো ছড়াচ্ছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ‘বামপন্থী অপপ্রচার’ চালানোর অভিযোগ তুলে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন।


তথ্যসূত্র: আজকাল অনলাইন