শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় রাজশাহীতে শহীদ বুদ্ধিজীব দেও স্মরণ

WP Import ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
WP Import ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় রাজশাহীতে শহীদ বুদ্ধিজীব দেও স্মরণ
শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় রাজশাহীতে শহীদ বুদ্ধিজীব দেও স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে রাজশাহীতে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় শহীদ বৃদ্ধিজীবীদের স্মরণ করেছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

রাজশাহী প্রশাসন
সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২৫ পালন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বুদ্ধিজীবী, নিরীহ, নিরস্ত্র ও নিরপরাধ জনগোষ্ঠীর ওপর ১৯৭১ এ চালানো হত্যাযজ্ঞ ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। বুদ্ধিজীবীদের শুধু নির্মূল করার জন্যই এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়নি, এ জাতি যেন আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই দুরভিসন্ধি থেকে এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, স্বাধীনতার ঊষালগ্ন থেকে জাতির সূর্যসন্তানরা যারা আমাদের জাতীয় চেতনাবোধ ও বাঙালি জাতিসত্তা জাগ্রত করেছিলেন, সেই বুদ্ধিজীবীদের স্বাধীনতার দুইদিন পূর্বে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, রাজশাহীবাসী একদিক দিয়ে গর্বিত, অন্যদিকে ব্যথিত। বুদ্ধিজীবী তালিকার প্রথম শহিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা। বাংলাদেশের প্রথম শহিদ মিনার রাজশাহী কলেজে নির্মিত হয়েছিল। রাজশাহীবাসী জ্ঞান-গরিমায় ও চিন্তা-চেতনায় বহুকাল থেকেই অগ্রগামী।

বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের তাৎপর্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের যে হাজার বছরের ঐতিহ্য তা জাতীয় চেতনায় এবং জাতীয় অগ্রযাত্রায় একক বৈশিষ্ট্যে সব সময় নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। আমাদের আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে যাদের রক্তের অবদান আছে তাদেরকে আমরা স্মরণ করছি। তাদেরকে স্মরণ করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, ভবিষ্যতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মতো দেশমাতৃকার প্রয়োজনে আমারা যেন ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি। ২৪-এ দেশের ছাত্র জনতা প্রমাণ করে দিয়েছে বাঙালি জাতি একটি অদম্য জাতি। আমরা কারো কাছে পরাভব মানি না।
নবীন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাঙালির ইতিহাস জানতে হবে। বাঙালির ইতিহাস শুধু ৭১ থেকে নয়, প্রায় ৫ হাজার বছরের ইতিহাস। আমার এই মাটিতে সভ্যতা লুকিয়ে আছে। উয়ারি বটেশ্বর থেকে শুরু করে সোনামসজিদ ও গৌড়ের সভ্যতা রয়েছে এখানে। এই সভ্যতা সম্পর্কে জানার মাধ্যমেই আমাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর ও নির্মল করতে পারব। এ সময় তিনি বাংলাদেশকে একটি আধুনিক ও সুন্দর দেশে পরিণত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান, আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্রহমান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
আলোচনা সভার শুরুতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং সভা শেষে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

রাসিক
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস- পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থিত শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
পুস্পস্তবক অর্পণকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহমেদ আল মঈন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নুর-ই-সাঈদ, বাজেট কাম হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা রকিবুল হক তুহিনসহ রাসিকের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও ওয়ার্ডের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে সোনাদিঘি জামে মসজিদ, নগর ভবন মসজিদ সহ মহানগরীর সকল মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
দিবসটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। এদিন ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসন ভবনসহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদারসহ বিশিষ্ট শিক্ষক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ৯:১৫ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন কমিটির সভাপতি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনের সভাপতিত্বে এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর সালেহ্ হাসান নকীব ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিয়ার রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণিত বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর মো. আব্দুল লতিফ। সেখানে অন্যদের মধ্যে প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবুর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার, শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবিব, বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আল-আমিন সরকার, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর মাহফুজুর রহমান আখন্দ বক্তব্য রাখেন। ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আমিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

আশরাফুল ইসলাম সন্ধি (আইন বিভাগ) ও রাউফু ইসলাম ইতু (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ) অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
দিবসের কর্মসূচিতে আরো ছিল বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা ও সন্ধ্যা ৬টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে নাটক এবং শহীদুল্লাহ কলা ভবন চত্বরে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় বইমেলায় জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি স্মারক, গ্রাফিতি ও পোস্টার প্রদর্শনী।

বিএমডিএ: শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) পক্ষ থেকে সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। পরে বিএমডিএ- এর প্রধান কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শুরুতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
পুস্পস্তবক ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক তরিকুল আলম (অতিরিক্ত সচিব)।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, অতি. প্রধান প্রকৌশলী ড. আবুল কাসেম, বিএমডিএ সচিব নীলুফা সরকার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম মাহফুজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজিরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. ইকবাল হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিন্নুরাইন খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিবির আহমেদ, হিসাব নিয়ন্ত্রক রোকনুজ্জামান বিশ্বাস প্রমুখ।
এছাড়া রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে মোট ১৬ জেলার বিভিন্ন রিজিয়ন ও জোন দপ্তরএর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পন ও আলোচনা সভা করেন। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মসজিদে বাদ যোহর শহিদদের আত্মার শান্তির কামনা করে বিশেষ দোয়া আয়োজন করা হয়।

জামায়াতে ইসলামী
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে দাওয়াতুল ইসলাম ট্রাস্টে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত রাজশাহী-২ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ডাক্তার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধিজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। অথচ মহান বিজয়ের মাত্র দুদিন আগে ১৪ই ডিসেম্বর জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল। মূলত দেশকে মেধাশুন্য ও পরনির্ভরশীল করতেই পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শহীদদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
রাজশাহী নগরীর নায়েবে আমীর এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে এবং রাজশাহী নগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, নগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসাইন।
এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম বলেন, স্বাধীনতার ২ দিন পূর্বে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। ১৬ই ডিসেম্বরের পরও হত্যাকান্ড হয়েছে। তখনতো পাকিস্তানী বাহিনী ছিল না। কোন শক্তি সেই হত্যাকান্ডে জড়িত ছিল? তার জন্য কী পাকিস্তানী বাহিনীকে দায়ি করতে পারি? তার পিছনে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাও দায়ি থাকতে পারে। এটা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। এটা বের করার দায়িত্ব ছিল স্বাধীনতা পরিবর্তী যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের। কিন্তু তারা তা করেননি।

রাজশাহী জেলা পরিষদ
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২৫ পালন করেছে রাজশাহী জেলা পরিষদ।
সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) উম্মে ফাতিমা।
পুস্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী এ. কে. এম আনোয়ার হোসেন, প্রধান সহকারী এস. এম. আল মতিন, উপ সহকারী প্রকৌশলী (অঃদাঃ) মো: আলেফ আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকিব আনজুম চত্বরে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, কো-অর্ডিনেটর, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান।

প্রগতি লেখক সংঘ
বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ রাজশাহী জেলা শাখার উদ্যোগে মহান বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে নগরীর শ্রীরামপুরস্থ বধ্যভুমিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বধ্যভুমিতে সিপিবি,উদীচী, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লেখক সংঘের পক্ষে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন কলামিস্ট শাহ মো জিয়াউদ্দিন, অধ্যাপক অসিত সাহা, লেখক আব্দুল লতিফ চঞ্চল। বধ্যভুমির মুল বেদীতে প্রবেশের মুল ফটক বন্ধ করে রাখায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ।