শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

তরুণদের অভিজ্ঞতা থেকে হবে জলবায়ু-সহনশীল যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যনীতি

WP Import ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৫৫ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
তরুণদের অভিজ্ঞতা থেকে হবে জলবায়ু-সহনশীল যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যনীতি
তরুণদের অভিজ্ঞতা থেকে হবে জলবায়ু-সহনশীল যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যনীতি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:


রাজশাহীতে সিরাক-বাংলাদেশের ‘ইয়ুথ ক্যাটালিস্ট’ প্রকল্পের আওতায় যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে তরুণদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী একটি কর্মশালার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) আয়োজিত এ কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও প্রান্তিক অঞ্চল থেকে ৩০ জন তরুণ প্রতিনিধি অংশ নেন। ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ ও সুইডিশ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা সিডা-এর আর্থিক সহায়তায় দেশের বিভাগীয় শহরগুলো এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে।

ফোরামের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাস্থ্য ও জলবায়ু-সংবেদনশীল অঞ্চলের তরুণদের অভিজ্ঞতা ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায় নীতিগত উন্নয়নের জন্য একটি জাতীয় শ্বেতপত্র প্রণয়ন।
রাজশাহী বিভাগীয় যুব ফোরামের সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. কস্তুরী আমিনা কুইন। সঞ্চালনা করেন সিরাক–বাংলাদেশের উপপরিচালক (প্রোগ্রাম) মো. সেলিম মিয়া।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন অফিস রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম. রাজিউল করিম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন, কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের হোস্টেল সুপার ফেরদৌস রাবেয়া এবং সামাজিক কর্মী ওয়াহি-উর-রহমান বাবু।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. কস্তুরী আমিনা কুইন বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ সমাজ। একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত বাংলাদেশ গঠনে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে আরও পরিকল্পিত উদ্যোগ নিতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য কাউন্সেলর নিয়োগ করেছে। রাজশাহীতে বাল্যবিয়ের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে কিশোর–কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন জরুরি।”

সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম. রাজিউল করিম বলেন, “স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় মা, শিশু, মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণদের জন্য আলাদা কর্নার থাকলেও কিশোর–কিশোরী ও তরুণদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেই। দেশের এক-তৃতীয়াংশ এখন তরুণ জনগোষ্ঠী-তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এজন্য আমরা কৈশোরবান্ধব সেবা কেন্দ্র স্থাপন করছি।”

ফোরামে দলভিত্তিক আলোচনার সেশন পরিচালনা করেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড শাহীনা ইয়াসমিন এবং ইনোভেশন অ্যান্ড ইয়ুথ স্পেশালিস্ট মো. নাজমুল হাসান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ফাইন্যান্স কো-অর্ডিনেটর মো. ওমর ফারুক খান এবং পিএমইএল অফিসার রুহিয়াত তাসনীম।
তরুণ প্রতিনিধিরা কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মতামত দেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা প্রাসঙ্গিক নীতিগত সুপারিশ প্রণয়ন করেন। আশা করা হচ্ছে, এই সুপারিশসমূহ ভবিষ্যতে জাতীয় নীতিনির্ধারণে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।