রাজশাহী হাসপাতালে চালু হলো এইচআইভি চিকিৎসার এ.আর.টি সেন্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সোনার দেশে সংবাদ প্রকাশের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চালু হলো এ.আর.টি সেন্টার। শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম শামীম আহম্মেদ এ.আর.টি (এ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি) সেন্টার উদ্বোধন করেন।
রামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানায়, এখন থেকে এই সেন্টারে এইচআইভি পজিটিভ রোগীদের বিনামূল্যে পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হবে। এতে করে এইচআইভি পজেটিভ রোগীদের বগুড়ার শজিমেক গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবেনা। রামেকের এই সেন্টার থেকে তারা ওষুধ পাবে। এ.আর.টি সেন্টারের ফোকাল পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডা. ইবরাহীম মো. শরফ।
এর আগে ৪ নভেম্বর ‘সোনার দেশ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। রামেক হাসপাতালের আইটডোরে এইচটিসি সেন্টারে এইচআইভির জীবাণু পরীক্ষা করা হয়। তবে ওষুধের ব্যবস্থা নেই। রাজশাহী বিভাগে অন্য সব জেলায় পজেটিভ হওয়া রোগীদের চিকিৎসা নিতে হয় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) থেকে। সেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়।
এ সংবাদ প্রকাশের পর মূলত এইচআইভি রোগের চিকিৎসার বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপর রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ.আর.টি. (এ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি) সেন্টার উদ্বোধন করা হলো। এখন থেকে রোগীরা বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবেন।
এ সংবাদে এইচআইভিতে আক্রান্তের বিষয়টি উঠে আসে। এতে বলা হয়- রাজশাহীতে ১০ মাসে ২৮ জন নারী-পুরুষসহ একজন হিজড়া এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে এইডসে মারা গেছেন একজন। আক্রান্তের বেশির ভাগ ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী। উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের এই আধিক্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস বলেন, আজ (শনিবার) দুপুরে পরিচালক মহোদয় এ.আর.টি সেন্টারের উদ্বোধন করেন। আপনার নিউজের পরে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এখন থেকে আর রোগীদেরকে বগুড়ায় যেতে হবে না। এইচআইভির সব চিকিৎসা রাজশাহীতেই হবে।