শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

ভোট হলে জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না, এনসিপি ভোটই পাবে না: মির্জা ফখরুল

WP Import ১১ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৪৪ অপরাহ্ন জাতীয়
WP Import ১১ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৪৪ অপরাহ্ন
ভোট হলে জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না, এনসিপি ভোটই পাবে না: মির্জা ফখরুল
ভোট হলে জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না, এনসিপি ভোটই পাবে না: মির্জা ফখরুল

মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোনার দেশ ডেস্ক:


জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘পিআর পদ্ধতি আমরা গ্রহণ করবো না। কিন্তু জামায়াত বলছে, পিআর পদ্ধতিতেই ভোট করতে হবে। সেটা না করলে নাকি ভোট হবে না। ভোটকে এত ভয় পাচ্ছে কেন তারা? কারণ তারা জানে, ভোট হলে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না। আর জামায়াতের সঙ্গে সুর মেলাচ্ছে এনসিপি। ওরা তো ভোটই পাবে না। তারা বলছে সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। এগুলো শুধুই বিভ্রান্ত করা। ভোট পেছানো আর আগের ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত। আমরা সংস্কারের যেগুলোতে একমত হয়েছি, বিএনপি শুধু সেগুলোর পক্ষে থাকবে। অন্য কিছুর দায় বিএনপি নেবে না। এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।’

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে নিজ নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কে কে বাড়ি লক্ষ্মীরহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘দীর্ঘ নয় মাস আপনারা (সরকার) সংস্কারের নামে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন এবং অনেকগুলো বিষয়ে একমত হলেন; সেই একমত হওয়া বিষয়গুলোর বাইরের কোনও কিছু যদি গায়ের জোরে মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চান, তাহলে সব দায়দায়িত্ব আপনার।’

নির্বাচন পিছিয়ে গেলে দেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘দেশের সামনে সব সময় সুযোগ আসে না। এবার একটি সুযোগ এসেছে। আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক একটি সরকার গঠন করতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে বাংলাদেশ একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।’
আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতের দিল্লিতে গিয়ে হরতাল ঘোষণা করেছে, দেখলাম ঢাকাতে কিছু গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। এখন যারা গাড়ি পোড়াবে, দেশের সম্পদ নষ্ট করবে, তাকে কি আমরা এ দেশে আসতে দেবো? সাহস থাকলে আসো। দেশের জনগণের সামনে এসে রাজনীতি করো। দিল্লিতে বসে দেশের সর্বনাশ আর করো না। খালেদা জিয়া ও আমাদের মতো ১০-২০ বছর কারাভোগ করো, রাজপথে আসো, তখন বোঝা যাবে আপনারা কতটা জনগণের দল।’

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা ও সংগীত শিক্ষক প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শিশুদের সুস্থ করে গড়ে তোলার জন্য শারীরিক শিক্ষা খুবই দরকার। সেই সঙ্গে শিশুরা গান শিখলে অসুবিধা কোথায়? অসুবিধা তো নাই, বরং তারা ভালো কিছু শিখতে পারছে।

বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আহম্মদ আলীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন প্রমুখ।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন