রাকসু নির্বাচনে জিএস পদে প্রার্থী হয়ে মাঠে সিংড়ার সন্তান সোয়াইব হোসেন

নাটোর প্রতিনিধি:
আসন্ন রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে জিএস পদে প্রার্থী হয়ে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন, নাটোরের সিংড়ার সন্তান সোয়াইব হোসেন। সোয়াইবের জন্মস্থান উপজেলার বিজয়নগর গ্রামে।
(রাকসু) নির্বাচনে সোয়াইব “সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট”-এর প্যানেলে জিএস পদ প্রার্থী হিসেবে হল সংসদে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার প্রতীক ব্যালট নম্বর (৩)।
দীর্ঘ সময়ের ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিরলস প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বগুণ ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচিত হয়েছেন তিনি। জানা যায়, সোয়াইব হোসেন এর বাবা এক কৃষক এবং চলনবিলের প্রত্যান্ত বিজয়নগর গ্রামের বাসিন্দা।
পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সোয়াইব সিংড়ার নুরপুর হাই-স্কুল থেকে জিএসসি,দমদমা স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি, এবং এইচএসসি ঢাকা শাহীন কলেজ পরে সেখান থেকে বদলি হয়ে রাজশাহী শাহ মোকদম কলেজ এ পড়া-লেখা করে উত্তীর্ণ হন। পরে রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয় এ শামছুজ্জোহা হলের (মাস্টারর্স) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
এব্যাপারে সোয়াইব হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমুল ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করছি। সুখে দুঃখে পাশে থেকেছি। আশা করি আগামী নির্বাচনে তারাই আমাকে বিজয়ী করবেন। তিনি ছাত্রদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বিজয়ী হলে বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীবান্ধব, সেশনজটমুক্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলবেন।
এবিষয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম জানান, রাকসু নির্বাচনের ২৩ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২৬০ জন। এর মধ্যে ভিপি পদে ১৯ জন, জিএস পদে ১৪ জন ও এজিএস পদে ১৬ জন। আর সিনেট ছাত্র প্রতিনিধির পাঁচ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬০ জন।
তিনি বলেন, তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে রোববার। এদিনই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারও।
২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একাডেমিক ভবনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু নির্বাচনের এ পর্যন্ত নয়টি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের। বাকি ৩টি মধ্যে একটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক তিন সমন্বয়কের নেতৃত্বে একটি সামজিক সাংগঠনের এবং একটি স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের। তবে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ছাড়া কোনো প্যানেলই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করতে পারেনি।