বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬

স্ত্রী, কন্যা-সহ পরিবারের তিন সদস্যকে নিয়ে গোদাবরীতে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারের!

সোনার দেশ ডেস্ক ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:২৯ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০:২৯ অপরাহ্ন
স্ত্রী, কন্যা-সহ পরিবারের তিন সদস্যকে নিয়ে গোদাবরীতে ঝাঁপ ইঞ্জিনিয়ারের!
গোদাবরীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা ইঞ্জিনিয়ারের। থিলাপুরী নুকারাজু, তাঁর স্ত্রী এবং কন্যা (ইনসেটে)। ছবি: সংগৃহীত।

তাঁদের মৃত্যুর জন্য দায়ী রাইফেল শুটিং কোচ। অন্ধ্রপ্রদেশে গোদাবরীতে সপরিবার ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার আগে সুইসাইড নোটে লিখে গেলেন এক ইঞ্জিনিয়ার। গত ১৬ অগস্টের রাতের ঘটনা।


পুলিশ সূত্রে খবর, ইঞ্জিনিয়ার থিলাপুরী নুকারাজু, তাঁর স্ত্রী মীনা, কন্যা সৌজন্য গোদাবরীতে ঝাঁপ দেন। সঙ্গে ছিল নুকারাজুর ১০ বছরের নাতি। তাকে মৎস্যজীবীরা উদ্ধার করেন। জানা গিয়েছে, রাজামাধবেন্দ্রম রেলসেতু থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গোদাবরীতে ঝাঁপ দেন নুকারাজু। নুকারাজু, তাঁর স্ত্রী এবং কন্যার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাইফেল শুটিং কোচ শেখ সাদিক খান ইঞ্জিনিয়ারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেন বলে অভিযোগ। সুইসাইড নোটে শুটিং কোচকে অভিযুক্ত করায় ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নুকারাজুর অভিযোগ, তাঁকে নানা ভাবে চাপ দিচ্ছিলেন শুটিং কোচ। মানসিক ভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। সুইসাইড নোটটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


কাকিনাড়ার পুলিশ সুপার বিন্দু মাধব জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন শুটিং কোচ। পাঁচটি রাজ্যে তাঁর খোঁজ চলছিল। অবশেষে উত্তরপ্রদেশের মেরঠ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাদিককে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সাদিকের ডিজিটাল লেনদেনের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। তাঁর গতিবিধি যাতে চিহ্নিত করা না যায়, তার জন্য ফোন ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন সাদিক। তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে মেরঠ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশে নিয়ে আসা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, নুকারাজুর সঙ্গে রাইফেল শুটিং কোচের দু’বছরের বেশি সময় ধরে পরিচয় ছিল। কিন্তু কী কারণে তাঁদের সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন