মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

মোহনপুর গার্লস ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মালেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-ধর্ষণসহ ৩ মামলা

শাহীন সাগর, মোহনপুর ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৪৭ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
শাহীন সাগর, মোহনপুর ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
মোহনপুর গার্লস ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষ মালেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-ধর্ষণসহ ৩ মামলা

শিক্ষকদের ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে বেতন-ভাতা, স্কেল পরিবর্তন করার জন্য ৪৮ লাখ টাকা নেওয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালকের নাম ভাঙানো, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, টাকা আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রাজশাহীর মোহনপুর গার্লস ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে। 


তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে চাঁদাবাজি ও প্রতারণাসহ পৃথক দুটি ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। এ ছাড়া ধর্ষণের অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে।


অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় কলেজের তৎকালীন গভর্নিং বডি। সংশ্লিষ্ট নথি ও কলেজসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় পরে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ওই সিদ্ধান্তের কী পরিণতি হয়েছে, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ নথি পাওয়া যায়নি।


৪৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

অধ্যক্ষকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের অনুলিপি এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি দীলিপ কুমার সরকার স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষকের বেতন-ভাতা, শিক্ষকদের স্কেল পরিবর্তন, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং গভর্নিং বডির নির্দেশনা অমান্যসহ একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়।


নোটিশ অনুযায়ী, তৃতীয় শিক্ষকের বেতন-ভাতার কাগজপত্রে ত্রুটি দেখিয়ে নয়জন শিক্ষকের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। মাউশির মহাপরিচালক ও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালকের নাম ভাঙিয়ে এসব অর্থ নেওয়া হয়েছিল বলে একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন।


অভিযোগে উল্লেখিত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন মো. শামসুল আলম (উচ্চতর গণিত), মো. নাজিম উদ্দীন (উচ্চতর গণিত), জয়নাল আবেদিন (পদার্থবিদ্যা), তফিজ উদ্দীন (রসায়ন), মোছা. রেবেকা সুলতানা (জীববিদ্যা), মো. তোফাজ্জল হোসেন (পদার্থবিদ্যা) ও মো. মাসুম আলী (পরিসংখ্যান)। নোটিশে আরও কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে একইভাবে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


এ ছাড়া ১৫ জন শিক্ষকের স্কেল পরিবর্তনের জন্য জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে আরও ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। নোটিশের হিসাব অনুযায়ী, দুই খাতে মোট ৪৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

তবে অর্থগুলো কোথায় জমা হয়েছে, কার কাছে দেওয়া হয়েছে কিংবা কলেজের হিসাব-নিকাশে এর কোনো রেকর্ড রয়েছে কি না-নোটিশে তার বিস্তারিত উল্লেখ নেই।


নিয়োগ না দিয়েও আত্মীয়ের নাম

অধ্যক্ষের আত্মীয় হিসেবে নোটিশে উল্লেখ করা মোছা. রোকসানা খাতুনকে নিয়োগ না দেওয়া সত্ত্বেও তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগও আনা হয়।


নোটিশে বলা হয়, রোকসানা খাতুনের নাম বেতন পাওয়ার সম্ভাব্য শিক্ষকের তালিকায় পাঠানো হলেও তাঁর নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক জানতে চাইলে শিক্ষার্থী কম থাকায় কাগজ পাঠানো হয়নি বলে অধ্যক্ষ জবাব দেন। তবে নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে তিনি ব্যর্থ হন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।


নোটিশের পর সাময়িক বরখাস্ত

অধ্যক্ষের নিয়মিত কলেজে উপস্থিত না থাকা এবং গভর্নিং বডির সভাপতির নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগও আনা হয় নোটিশে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। জবাব সন্তোষজনক না হলে বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।


কলেজসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অধ্যক্ষের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তৎকালীন সভাপতিকে দেওয়া লিখিত জবাবে অধ্যক্ষ মালেক মণ্ডল দাবি করেন, বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের চাকরির শর্তাবলি-সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী বক্তব্য দেওয়ার জন্য ১০ কার্যদিবস সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। তাই তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব চেয়ে দেওয়া নোটিশকে তিনি ‘অবৈধ, বেআইনি, বিধিবহির্ভূত ও অকার্যকর’ বলে দাবি করেন।


চাঁদাবাজি ও প্রতারণার দুই মামলা

প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর রাজশাহী মহানগর পুলিশের রাজপাড়া থানায় মালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৮৫ ও ৩৮৬ ধারায় মামলা হয়। এতে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল। বাদী ছিলেন বরইকুড়ি গ্রামের আঃ সামাদের ছেলে মো. কাজী শাহজাহান আলী। এর আগে একই বছরের ২৯ আগস্ট বোয়ালিয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় মামলা হয়। এতে প্রতারণা, টাকা আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। বাদী ছিলেন মাটিকাটা গ্রামের মহসিনের ছেলে মো. সেরাজুল ইসলাম।


প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই মামলায় মালেক মণ্ডল ১৭ দিন হাজতবাস করেছিলেন।

তবে দুটি মামলায় আদালতের চূড়ান্ত রায় কী হয়েছিল এবং বর্তমানে মামলাগুলোর অবস্থা কী, সে বিষয়ে হালনাগাদ আদালত নথি প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

ধর্ষণ মামলার অভিযোগ

মালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে মোহনপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছিল বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে। সূত্রের ভাষ্য, শুকমন বিবি নামের এক সাবেক ইউপি সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগে করা ওই মামলায় মালেক মণ্ডল এক মাস কারাভোগ করেন।


স্থানীয় সূত্রগুলোর আরও দাবি, মামলাটি থেকে রেহাই পেতে ফরেনসিক প্রতিবেদন ও তদন্ত প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেন হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত বাদীপক্ষের সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে আপস করা হয়। মামলাটি শেষ করতে অধ্যক্ষ মালেক মন্ডল প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছিল বলেও সূত্রগুলোর দাবি।


তবে এসব দাবির সমর্থনে এ প্রতিবেদকের হাতে মামলার এজাহার, আদালতের আদেশ, ফরেনসিক প্রতিবেদন, তদন্ত প্রতিবেদন বা নিষ্পত্তির নথি নেই। ফলে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মামলাটির বর্তমান অবস্থাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


ওয়ান-ইলেভেনে আটকের দাবি

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ২০০৭ সালের বোয়ালিয়া থানার মামলার প্রেক্ষাপটে ওয়ান-ইলেভেনের সময় মালেক মণ্ডল ও কলেজের পিয়ন ইসলামকে যৌথ বাহিনী কলেজ থেকে আটক করে নিয়ে যায়। একদিন আটকে রাখার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন পিয়ন ইসলাম।


এ বিষয়ে একটি সূত্রের বক্তব্যের অডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযান বা আটকের বিষয়ে কোনো সরকারি নথি কিংবা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


শিক্ষকদের মুখেও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের তিন শিক্ষক এ প্রতিবেদকের কাছে বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্যের অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে।


তাঁদের ভাষ্য, তৃতীয় শিক্ষকের বেতন-ভাতার কাগজপত্রে ত্রুটি দেখিয়ে জনপ্রতি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। টাকা দিতে আপত্তি করায় এক শিক্ষককে অধ্যক্ষের লোকজন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং পরে টাকা দিতে বাধ্য করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


আরেক শিক্ষক দাবি করেন, স্কেল পরিবর্তনের জন্য দেওয়া ৫০ হাজার টাকা ৫ আগস্টের পর পবা উপজেলার বায়া বাজারে অধ্যক্ষকে আটকে রেখে গভীর রাতে ফেরত নেওয়া হয়। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো লিখিত লেনদেনের নথি পাওয়া যায়নি

তদন্তেই মিলতে পারে উত্তর

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বেতন-ভাতার নামে বিপুল অর্থ নেওয়া, সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ভাঙানো, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ধর্ষণ মামলাসহ নানা অভিযোগ ওঠায় কলেজটির প্রশাসনিক ও আর্থিক জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে কলেজের ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়ের নথি, গভর্নিং বডির কার্যবিবরণী, শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের নথি এবং পুরোনো মামলাগুলোর আদালত-রেকর্ড পর্যালোচনা প্রয়োজন।


অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মালেক মণ্ডলের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি জানান, তিনি গাড়িতে রয়েছেন। গাড়ি থেকে নেমে পরে ফোন করবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এরপর একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

সুশাসন বিশ্লেষক সুব্রত পাল বলেন, বেতন-ভাতা ও স্কেল পরিবর্তনের নামে ৪৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ গুরুতর। টাকা কোথায় গেছে এবং কীভাবে নেওয়া হয়েছে, তা খুঁজে বের করতে কলেজের হিসাব, ব্যাংক লেনদেন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত  সাপেক্ষে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।  একই সাথে স্বচ্ছতা ও  জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।


এবিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) টুকটুক তালুকদার বলেন, ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এখন প্রশ্ন—তৃতীয় শিক্ষকের বেতন-ভাতা ও স্কেল পরিবর্তনের নামে কথিত ৪৮ লাখ টাকা কোথায় গেল? কার কাছে বা কোন প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয়েছিল? গভর্নিং বডির নোটিশের পর সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের পরিণতিই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের নথি ও কলেজের আর্থিক হিসাবের নিরপেক্ষ তদন্ত। 


সচেতন মহলের দাবি

কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মালেক মণ্ডলকে ঘিরে রাজনীতিসহ নানা অভিযোগ ও বিতর্কের জন্ম হয়েছে। একের পর এক অভিযোগের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই  ‘টক অব দ্য মোহনপুর’।


সচেতন মহলের দাবি, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অধ্যক্ষকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলো সত্য হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


তাঁদের প্রশ্ন, একজন শিক্ষকই যদি শিক্ষার্থীদের কাছে নৈতিকতা, সততা ও আদর্শের প্রতীক হওয়ার পরিবর্তে ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা ও অনৈতিকতার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে তাঁর কাছ থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কী শিক্ষা নেবে?


সচেতন মহলের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে শুধু একটি কলেজের প্রশাসনিক শৃঙ্খলাই নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার পরিবেশও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।