নাটোরে নারী চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

নাটোর প্রতিনিধি:
এদের করো বাড়ি জামালপুর আবার কেউ জেলা ফরিদপুর ও নাটোরের বাসিন্দা। এদের মধ্যে দুজন তরুণী, দুইজন গৃহবধু। তারা চার মিলে গড়ে তুলেছিলেন একটি চোর চক্র। সুযোগ পেলেই বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থসহ মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করা। চোর চক্রের এমন চুরির ঘটনায় অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এবং অতিষ্ঠ ছিল।
এবার নাটোর শহরের নীচাবাজার এলাকায় চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে চোর চক্রের এসব সদস্যরা। এরা হলেন, নাটোরের সিংড়া পৌর এলাকার উত্তর দমদমার মারুফা (১৯), ফরিদপুর জেলার বর্ণা (২০), জামালপুরের রজনী বেগম (২৮) ও বিলকিস বেগম (৩০)।
ভূক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, নাটোর শহরের কান্দিভিটুয়া এলাকার পারভীন নামে এক গৃহবধু বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) শহরের নীচাবাজার সোনালী ব্যাংকের পাশে বাজার করতে আসে। চক্রটি এসময় কৃত্তিমজট সৃষ্টি করে ওই গৃহবঘুর ব্যাগে থাকা ৬০০ টাকা চুরি করে ব্যাংকের মধ্যে প্রবেশ করে।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পারভীন বিষয়টি বুঝতে পেরে হট্টগোল শুরু করলে এতে বাজারে আসা অন্যরাও যোগ দিয়ে চক্রটিকে আটক করে। পরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন স্থানীয় পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের আটক করে নাটোর থানায় নিয়ে যায়।
পারভীন বেগম বলেন, এই নারী চোর চক্র প্রথমে এসে আমার পাশে ভীড় করছিল অথচ তারা কিছুই কিনছিল না। বিষয়টি প্রথম বুঝতে পারি নাই। যখন দেখি আমার ব্যাগে টাকা নাই তখন মনে হলো এরাই টাকা চুরি করছে। এক পর্যায়ে তাদের সোনালী ব্যাংকের সামনে দেখতে পাই। এসময় আমার চিৎকারে অন্যদের সহায়তায় চোর চক্রকে ধরে ফেলি।
এ বিষয়ে নাটক সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর রহমান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। তারপরেও তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। যেহেতু ব্যাংকের ভিতরে আটককৃত নারীদের নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ব্যাংকের নিরাপত্তার বিষয় ছিল। তাই তাদেরকে দ্রুত থানায় আনা হয়।