রবিবার, জুন ২১, ২০২৬

প্রশ্ন-উত্তরপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত আসামি আনোয়ারকে গ্রেফতার

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:০৬ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:০৬ অপরাহ্ন
প্রশ্ন-উত্তরপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত আসামি আনোয়ারকে গ্রেফতার

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১:০৫ ঘটিকায় নওগাঁর ধামুরহাট থানার খরমপুর এলাকা হতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এর প্রশপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত আসামী আনোয়ার হোসেন (৪১) ধামুরহাট থানার খরমপুরের মোজাফফর রহমানের ছেলে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৯ জানুয়ারি জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ চলাকালে বিকাল ৪ ঘটিকায় উক্ত পরীক্ষা কেন্দ্রের ২য় তলার কক্ষ নং-২০২ এর পরীক্ষার্থী মোঃ আমির হামজা, রোল নং-৪৪১৪৮০০ এর ব্যবহৃত মোবাইলে এসএমএস দেখে উত্তর পূরণ করছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষার্থী আমির হামজাকে জিজ্ঞাসা করলে সে তার ব্যবহৃত মোবাইল নং-০১৩৪২৬১৫১৯২ এ মোবাইল নং- ০১৩৩৬৫৩৩৫১৯ হতে প্রাপ্ত এসএমএস থেকে উত্তরপত্র পূরণ করছেন মর্মে স্বীকার করেন। সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক উক্ত এসএমএস এর সাথে পরীক্ষার্থী আমির হামজার উত্তরের মিল খুজে পাওয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি বর্ণিত পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিনিধি জনাব সাকিল আহম্মেদকে অবগত করলে তিনি জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশকে অবগত করেন। জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশ একই দিন ৪:৩৫ ঘটিকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষার্থী আমির হামজাকে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এর পরীক্ষায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের সহায়তায় সৃজন প্রশ্নের উত্তর মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে অসৎ পন্থা অবলম্বন করেছে মর্মে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। 

এ সংক্রান্তে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিনিধি সাকিল আহম্মেদ (৫২), পিতা-মৃত ফজলুর রহমান সরদার, সাং-লক্ষীকোলা, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া, এ/পি- উপজেলা এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার, থানা-ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাট এর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা নং-০৯ তারিখ-০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা-৪/৯/১৩ ঞযব চঁনষরপ ঊীধসরহধঃরড়হ (ঙভভবহপবং) অপঃ-১৯৮০ রুজু হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জয়পুরহাট জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।