পুঠিয়ায় ৩জন নিহতের ঘটনায় বাসচালক ও পুলিশ হেনস্থার মূল হোতা গ্রেফতার
২৫ জানুয়ারি পুঠিয়ায় বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহতের ঘটনায় বাসচালককে পুলিশ আটক করেছে। একই সাথে ওই ঘটনায় পুলিশের এক সদস্যকে হেনস্থাকারী মূল হোতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী রাজকীয় পরিবহনের একটি বাস পুঠিয়াগামী একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে অটোরিকশার আরোহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল ই বিভাগের ছাত্র শান্ত ইসলামসহ ৩ জন নিহত হয়। দুর্ঘটনার সাথে সাথেই বাসচালক দ্রুত বাস চালিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ঘটনাস্থলে গুজব ছড়ানো হয় যে, পুলিশ বাস চালককে ছেড়ে দিয়েছে যা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
এই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ছাত্র জনতা উত্তেজিত হয়ে ভিকটিমের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে না দেয়াসহ বেলপুকুর থানার ওসি এবং একজন এসআইকৈ জিম্মি করে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে এবং এসআইকে কান ধরতে বাধ্য করে এর ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এবং সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
এঘটনায় বেলপুকুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি এবং সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান ও পুলিশ সদস্যদের হেনস্থা করার অপরাধে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক বাস চালককে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ শুরু করে। সোমবার ঘাতক বাসচালক সাইফুল ইসলাম (৪৮)কে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। সাইফুল ইসলাম নাটোর সদরের কানাইখালী গ্রামের দক্ষিণ পটুয়াপাড়ার দিয়ানতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে।
উল্লেখ্য যে পুলিশ ঘটনার দিন রাতেই রাজকীয় পরিবহনের ঘাতক বাসটি আটক করে।
অপরদিকে, ঘটনার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম তাদের সমন্বয়ের মাধ্যমে পুলিশ এসল্ট মামলার আসামি গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করে। গুজব ছড়িয়ে পুলিশকে হেনস্থা করা এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদান করার মূল হোতা হাসানুর রহমান তুহিন (২৬)কে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সে মহানগরীর শাহমখদুম থানার বড় বনগ্রাম চকপাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে।