দলীয় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুই যুবদল কর্মী আহত
নাটোরে পূর্ব বিরোধের জেরে দলীয় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাটোর শহরের বড়গাছা এলাকায় দুই যুবদল কর্মী পার্থ ও শহিদুল আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ওই দুই যুবদল কর্মীর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নাটোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নাটোর থানা ওসি শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলো, দক্ষিণ রড়গাছার হারুন অর রশিদের ছেলে আহসান কবীর পার্থ ৩১, ও চৌধুরী রড়গাছার জাফরের ছেলে শহিদুল ইসলাম ৩২।
নাটোর থানা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, দুই মাস আগে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফরহাদ জামিলকে মারপিট করার অভিযোগ উঠে শিশির ও বাপ্পীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে এনএস কলেজ মসজিদে নামাজ আদায়ের পর স্টেশন বাজারে চা খেতে যায় যুবদল কর্মী পার্থ ও শহিদুল। এসময় ছাত্র লীগ থেকে নব্য যোগ দেয়া শহরের জলার বাতা এলাকার বাবলু ড্রাইভারের ছেলে বাপ্পী সেখাে অবস্থান করছিল।
সেখান থেকে চা পান শেষে বাড়ি ফিরছিলো শহিদুল ইসলাম। ওই সময় বাপ্পী ,শিশির ও সিজান মিয়ে বড়গাছা ব্র্যাক অফিসের সামনে শহিদুলকে পথ প্রতিরোধ করে বলা হয়, চায়ের দোকানে কেন ও ভাবে তাকাইলি?। এসময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে বাপ্পী চাপাতি দিয়ে শহিদুলকে কোপায়। এ সময় বন্ধু পার্থ বাধা দিলে গেলে তাঁকেও কোপানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন দুজনকে উদ্ধার করে রাত ১২টার দিকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এব্যাপারে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে কর্ত¦ব্যরক ডাঃ সুব্রত ঘোষ বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাত গুরুতর জখম হওয়া পার্থ ও শহিদুল নামে দুজন রুগি রাতে ভর্তি হয়। এর মধ্যে শহিদুল এর ডান হাতের বৃদ্ধ আঙ্গুল প্রায় বিছিন্ন, প্রচুর পরিমান রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাতেই ২৫-৩০টা শেলাই দিতে হয়েছে। এছারা তাদের দুজনেরই মাথায় গুরুতর জখম ১০-১২টা করে শেলাই দিতে হয়েছে।
নাটোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, এঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। খবর পেয়ে ঘটনা স্থল ও হাসপাতালে পুলিশ গিয়ে ছিল কি কারণে এমন ঘটনার তার অনুসন্ধান করতে। যেহেতু এটা অপরাধ মুলুক ঘটনা, অভিযোগ পেলেই আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।