রবিবার, জুন ২১, ২০২৬

দারিদ্র্য নিরসনে সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো বাস্তবায়ন অপরিহার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৪ মে ২০২৬ ১১:২৪ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ০৪ মে ২০২৬ ১১:২৪ অপরাহ্ন
দারিদ্র্য নিরসনে সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো বাস্তবায়ন অপরিহার্য

‘বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর রূপান্তর: বৈশ্বিক মান অর্জনের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।


সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান। প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুন্সি ইসরাইল হোসেন এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক তাপস ফোলিয়া।


সেমিনাওে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন,হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয় রাজশাহীর সমাজসেবা অফিসার মো. রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসিনা মমতাজ রাজশাহী কলেজের অধ্যাপক রুস্তম আলী, অধ্যাপক সানোয়ার হোসেন, দৈনিক সোনার দেশের সম্পাদক আকবরুল হাসান মিল্লাত, বাসস, রাজশাহীর সিনিয়র রিপোর্টার ড. আইনাল হক এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা ড. হামিদুল ইসলাম।


সেমিনারে বক্তারা বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন দারিদ্র্য নিরসনের অন্যতম উপায় হতে পারে। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতাগুলো সম্মিলিতভাবে মোকাবেলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যাতে সমাজকে বিদ্যমান দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন করা যায়।


বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মান অর্জনের লক্ষ্যে অধীনে তার খণ্ডিত সামাজিক সুরক্ষা জালগুলোকে একটি সমন্বিত জীবনচক্র-ভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মসূচির খণ্ডবিখণ্ডতা হ্রাস করা, অর্থপ্রদানকে ডিজিটাল করা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য আওতা সম্প্রসারণ করা এবং টেকসই দারিদ্র্য হ্রাস অর্জনের জন্য জলবায়ু-অভিযোজিত পদক্ষেপসমূহকে একীভূত করা।


অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম অসংখ্য ছোট ও খণ্ডিত কর্মসূচি থেকে জীবনের নির্দিষ্ট পর্যায়কে লক্ষ্য করে একটি সমন্বিত ব্যবস্থায় স্থানান্তরের বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর লক্ষ্য হলো কর্মসূচির উচ্চ সংখ্যা কমিয়ে সমন্বয় উন্নত করা এবং প্রশাসনিক ব্যয় হ্রাস করা। জলবায়ু সহনশীলতা এবং দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াকে সরাসরি সামাজিক সুরক্ষার সাথে একীভূত করার উপরও আলোকপাত করেন। যেখানে দুর্যোগ-প্রতিক্রিয়াশীল নগদ অর্থ হস্তান্তরের উপর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব রয়েছে।