ঈশ্বরদীতে কলা চুরির অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, উদ্ধার করলো পুলিশ
পাবনার ঈশ্বরদীতে কলা বাগান থেকে কলা চুরি করার অভিযোগে ৩ কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করলেও কে বা কারা তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে নিযাতন করেছে তা বলতে পারেনি পুলিশ বা স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের দুবলচারা এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। উদ্ধার তিন শিক্ষার্থীরা হলেন, উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী গ্রামের ওবায়দুল ইসলামের ছেলে ফাহিম রহমান, একই এলাকার লিটন সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান ও তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে সজল হোসেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৭ মে) তিন শিক্ষার্থী দাশুড়িয়া এলাকায় প্রাইভেট পড়া শেষে অটোরিকশায় করে মুলাডুলির দুবলাচারা এলাকায় ঘুরতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে বাজি ধরে স্থানীয় একটি কলাবাগান থেকে বেশ কিছু কলা চুরি করেন তারা। কলা চুরির বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবক ওই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের গাছ বাঁধা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মাধ্যমে এ ঘটনা টের পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ওই তিন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঈশ্বরদী থানার সহকারী পরিদর্শক এসআই বিজন কুমার সরকার বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত দুবলাচরা গ্রামে গিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয় কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে উপস্থিত কেউই এ ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তাদের নাম বলেনি। ফলে আপাতত: তাদের উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, তিন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনাটি তদন্ত করতে আরো সহজ হবে। পরে অভিযুক্তদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।